শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ ◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে

প্রকাশিত : ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৬:৫৩ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরিরামপুরে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটর বরখাস্ত

শুভংকর পোদ্দার, হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ঝিটকা আনন্দ মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ের এক খণ্ডকালীন শিক্ষক ও কম্পিউটার অপারেটরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে তাদের বরখাস্ত করা হয়।

এ ঘটনা তদন্তে এক সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন সভাপতি। সাময়িক বরখাস্ত হওয়া দুইজন হলেন, বিদ্যালয়ের খণ্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান ও খণ্ডকালীন কম্পিউটার অপারেটর জহিরুল ইসলাম। এর আগে এসএসসি পরীক্ষার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় মেহেদী হাসানের কক্ষে নকল পাওয়ায় তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ইংরেজি ১ম পত্রের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষার আগে মেহেদী হাসান ও জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠে। বিদ্যালয়ের করা প্রশ্নের সাথে ফাঁসকৃত প্রশ্নের অনেক মিল পাওয়ায় তাদের দুজনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। পরে ইংরেজি ১ম পত্র প্রশ্ন বাতিল করে নতুন প্রশ্নপত্র তৈরি করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এ ঘটনায় যে প্রতিষ্ঠান থেকে বিদ্যালয়ের প্রশ্ন ছাপানো হতো, সেই প্রতিষ্ঠানকেও বাদ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার ৭ দিন পরে গত ১৩ সেপ্টেম্বর প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তদন্তের জন্য এক সদস্যের কমিটি করেছেন বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির।

অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, আমার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমার কাছে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। আমি এসবের সাথে সম্পৃক্ত নই। অপরদিকে জহিরুল ইসলাম বলেন, ২০১৬ সাল থেকে আমি বিদ্যালয়ে কর্মরত আছি। ইতোপূর্বে এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সাথে আমি জড়িত নই।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রেজা সাইফুল ইসলাম বলেন, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠায় খণ্ডকালীন শিক্ষক মেহেদী হাসান ও কম্পিউটার অপারেটর জহিরুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় সভাপতি এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পরে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিদ্যালয়ের বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি হুমায়ুন কবির বলেন, আমরা প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তদন্ত করবো। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের বিদ্যালয়ের সকল কাজ থেকে বিরত রাখা হয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নিগার সুলতানা চৌধুরী বলেন, এ ঘটনা জানার পরে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং ফাঁস হওয়া প্রশ্ন বাতিল করে নতুন প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়