শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ০৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:২০ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নিখোঁজ, সঙ্গে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা

ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার ঈশ্বরদী পাকশী জনতা ব্যাংক শাখার ব্যবস্থাপক খালেদ সাইফুল্লাহ গত দুদিন ধরে নিখোঁজ। ব্যাংক থেকে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

রোববার দুপুরে টাকা নিয়ে যাওয়ার পর তিনি আর শাখায় ফেরেননি। ঘটনার রাতেই ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. মোহছানাতুল হক ঈশ্বরদী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

জিডিতে জানানো হয়েছে, শনিবার খালেদ সাইফুল্লাহ ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা চেয়েছিলেন। শাখায় পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় তাকে ৭০ লাখ টাকা দিতে চাওয়া হলেও তিনি রাজি হননি। পরের দিন রোববার সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে তিনি ফোন করে ৭০-৭৫ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানান।

এরপর রোববার বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে তিনি দাশুড়িয়া বাজার শাখা থেকে ৩০ লাখ টাকা তোলেন। এরপর ঈশ্বরদী কর্পোরেট
শাখায় গিয়ে পাকশী শাখার জন্য আরও ১ কোটি টাকা নিয়ে যান। এই সময় তার সঙ্গে আনসার সদস্য মাহবুবও ছিলেন।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রে সই করার পর বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে খালেদ সাইফুল্লাহ, আনসার মাহবুব এবং গাড়িচালক মো. ইসমাইল হোসেন গাড়ি নিয়ে পাকশী শাখার দিকে রওনা হন। কিন্তু তিনি শাখায় পৌঁছাননি এবং তার ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে শাখার সহকারী ম্যানেজারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, তিনি তখনও পৌঁছেননি। এরপর ব্যাংক কর্মকর্তারা পুলিশে খবর দেন এবং পুলিশের পরামর্শে থানায় জিডি করা হয়। দাশুড়িয়া শাখার ব্যবস্থাপক শাহিনুর রহমান নিশ্চিত করেছেন, নিয়ম মেনেই টাকা হস্তান্তর করা হয়েছিল।

আনসার মাহবুব বলেছেন, ‘ঈশ্বরদী বাজার এলাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের সামনে তিনি আমাকে গাড়ি থেকে নামিয়ে দিয়ে গাড়ি নিয়ে চলে যান।‘

নিখোঁজ ব্যবস্থাপকের স্ত্রী দিলরুবা বেগম জানান, ‘সকালে তিনি বাসা থেকে ব্যাংকে যান এবং বিকেলে ব্যাংক থেকে তার নিখোঁজ হওয়ার খবর আসে। এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ।’

জনতা ব্যাংকের রাজশাহীর প্রধান শাখার ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর হোসেন জোয়ার্দ্দার ঘটনাটিকে গুরুতর উল্লেখ করে বলেন, ‘তারা শাখায় গিয়ে বিষয়টি দেখছেন এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।’

আজ সোমবার রাতে ঈশ্বরদী থানার ওসি আ. স. ম. আব্দুন নূর জানান, ‘তিনি স্বেচ্ছায় কোথাও গেছেন নাকি কেউ তাকে গুম করেছে, তা আমরা নিশ্চিত নই। প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য কাজ চলছে।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়