শিরোনাম
◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ ◈ ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে’, রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে প্রধান আসামির দাবি ◈ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ৮১ শতাংশই ঝুঁকিতে, লোকসানের ভারে চাপে অর্থনীতি, ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকার দায় ◈ এমপি ঘিরে বলয়, প্রার্থী নিয়ে বিরোধ: জামায়াতে বাড়ছে বিদ্রোহী প্রবণতা, শাস্তি দিয়েও থামছে না প্রার্থিতা-লবিং

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৫:২৭ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিচারকের স্ত্রীকে সিলেট গিয়েও উত্ত্যক্ত করেন লিমন, করা হয় জিডিও

রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার লিমন মিয়া বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীর পিছু নিয়ে সিলেট গিয়েছিলেন। সেখানে তাকে উত্ত্যক্ত করায় তার বিরুদ্ধে সিলেটের জালালাবাদ থানায় জিডিও করেছিলেন ভুক্তভোগী। লিমন সেনাবাহিনীতে চাকরি করতেন। সেখানে চার বছর চাকরির পর চাকিরিচ্যুত করা হয়েছিল।

লিমন গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া ইউনিয়নের মদনের পাড়া গ্রামের বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য এইচএম ছোলায়মান হোসেন শহীদের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ নভেম্বর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। তার কল পেয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লিমনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়।

কিন্তু বিচারকের স্ত্রী লুসী এ বিষয়ে মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তখন সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। জিডিমূলে লিমনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির। তিনি বলেন, ‘জজ স্যারের মেয়ে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত।

মেয়েকে দেখতে মূলত বিচারকের স্ত্রী সিলেট এসেছিলেন। তখন লিমন তার পিছু নিয়ে সিলেট ছুটে আসে এবং তাদেরকে ডিস্টার্ব করে। এক পর্যায়ে তারা ট্রিপল নাইনে কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হন। তবে কী কারণে জজ স্যারের স্ত্রীর সঙ্গে তার ঝামেলা ছিল তা পরিস্কার নয়।’

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকার ভাড়া বাসায় খুন হন রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমন।

হামলার সময় তাওসিফের মা তাসমিন নাহার লুসীও আহত হন। বর্তমানে রামেক হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন।

পরিবার সূত্রে জানায়, পরিবারের লোকজনকে ১০ দিন আগে হত্যার হুমকি দিয়েছিল লিমন মিয়া নামের ওই ব্যক্তি। গত ৬ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমন মিয়ার বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী লুসী। জিডি করার সাত দিনের মাথায় বিচারকের বাসায় ঢুকে ছেলেকে হত্যা ও লুসিকে জখম করে। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়