শিরোনাম
◈ নারী টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকাপে সুন্দর সূচনা বাংলাদেশের ◈ বিনিয়োগ আকর্ষণে দেশের পাঁচ জেলায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্ত ◈ বিশ্বকা‌পে জাপা‌নের প্রথম ম‌্যাচ নেদারল্যান্ডসের বিরু‌দ্ধে যে কো‌নো উপা‌য়ে জয় চান কোচ ◈ বিশ্বকা‌পে সেমিফাইনালের গ‌ণ্ডি পার হ‌তে চান মরক্কোর কোচ ◈ সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য নিয়ে হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলা, রুলিং দিলেন স্পিকার ◈ দুবাইয়ে বেনজীর গ্রেফতার, এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য : সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন!

প্রকাশিত : ২১ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১২ দুপুর
আপডেট : ০১ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জৌলুস হারিয়েছে শীতল পাটি, বাধ্য হয়ে পেশা বদলাচ্ছেন শতাধিক কারিগর

মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ধুলিজোড়া গ্রামের কারুশিল্পীদের বানানো শীতল পাটির এক সময় বেশ কদর ছিল। স্বল্পমূল্যের প্লাস্টিকের মাদুরের দাপটে অতীত জৌলুস হারিয়েছে শীতল পাটি। এতে আয় কমে যাওয়ায় ধুলিজোড়া গ্রামের শতাধিক কারুশিল্পী জীবিকা নির্বাহে পেশা বদলে বাধ্য হয়েছেন। 

রাজনগর-বালাগঞ্জ খেয়াঘাট সড়কের পাশের একটি নিভৃত গ্রামের নাম ধুলিজোড়া। যে গ্রামের মানুষ বিভিন্ন ধরনের শীতল পাটি বানিয়ে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। 

বুধবার ধুলিজোড়া গ্রামের অরুণ চন্দ্র দাসের বাড়িতে গেলে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে কারুকার্যখচিত শীতল পাটি বানিয়ে রোদে শুকাতে দিচ্ছেন; দুখানা পাটির একখানা ভাঁজ করে বারান্দায় রেখেছেন। আরও দুটি মাদুর বানিয়ে রেখেছেন। আলাপকালে তিনি জানান,  ৪-৫ হাত বিশিষ্ট কারুকাজ করা একটা শীতল পাটি বানাতে ৩০-৩৫ দিন সময় লাগে। এর সঙ্গে হাজার থেকে বারশ টাকার বেত ও রং লাগে। পালঙ্কের জন্য একটি ‘নঙা’ করা পাটি ২৮-৩০ হাজার টাকা দাম পড়ে। এসব শীতল পাটি শৌখিন ধনাঢ্য ব্যক্তিরা ব্যবহার করেন। এ ছাড়া একটি সাধারণ মানের পাটি ৫-৬ হাজার টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। তিনি জানান, আগেকার দিনে বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠান এবং গরমের দিন এলেই শীতল পাটি কেনা হতো। এখন এ স্থান দখল করেছে চায়না প্রযুক্তির প্লাস্টিকের মাদুর। 

অরুণ চন্দ্র দাস আরও জানান, সরকারি সহযোগিতায় শীতল পাটির কারিগর হিসেবে তিনি ২০১৩ সালে জাপানে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প মেলায় এবং ২০২৩ সালে চীন গিয়েছিলেন। সেখানে ধুলিজোড়ায় বানানো শীতল পাটি প্রদর্শন ও বিক্রি হয়েছে। ‘নঙা’ আঁকা শীতল পাটি চীন ও জাপানে বেশ সমাদৃত হয়েছে। এসব প্রদর্শনীতে তাঁর সঙ্গে গ্রামের হরেন্দ্র দাস ও গীতেশ দাস অংশ নেন। 

গ্রামের প্রমেশ দাস, দ্বিজেন্দ্র দাস, শৈতেন্দ্র দাস, গোপাল দাস, সুশীল দাস, গোবিন্দ দাসসহ আরও কয়েকজন শীতল পাটির কারিগর জানান, প্লাস্টিকের কম দামি মাদুরের কারণে শীতল পাটি আগের মতো বিক্রি হয় না। এতে তাদের আয় কমে যাওয়ায় অনেকে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে বাপ-দাদার পেশা ছেড়ে দিচ্ছেন। 

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়