শিরোনাম
◈ উরুগুয়ের সঙ্গে ড্র করে বিশ্বমঞ্চে আবারও চমক সৌদি আরবের ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা, নেতানিয়াহুর জন্য নতুন সংকট ◈ বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব, তবে শর্ত আছে: শিশির মনির ◈ ‘দেখা করার কথা বলে’ শপিং মলে ডেকে বেনজীরকে ধরিয়ে দেন এমপি বন্ধু ◈ বিশ্বকাপে প্রথম অঘটন, স্পেনকে রুখে দি‌য়ে ইতিহাস কেপ ভার্দের  ◈ সরকারের তোষামোদ নয়, গণমাধ্যমকে সত্য তুলে ধরার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে

প্রকাশিত : ০১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৪০ বিকাল
আপডেট : ২২ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহে ভুয়া দলিলের অভিযোগে বৃদ্ধের নামে মামলা, ভাই বিক্রি করলেও ভোগান্তিতে ৯০ বছরের মন্তাজ বিশ্বাস

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় কামারকুন্ডু গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হয়রানির শিকার হচ্ছেন ৯০ বছর বয়সী বয়োবৃদ্ধ মন্তাজ বিশ্বাস। অভিযোগ উঠেছে, তার ভাই জীবদ্দশায় যে জমি বিক্রি করেছিলেন, সেই জমি নিয়ে এখন তার মৃত্যুর পর মামলার আসামি করা হয়েছে নিরীহ এই বৃদ্ধকে।

ভুক্তভোগী মন্তাজ বিশ্বাস ও তার ভাই শফিউদ্দিন বিশ্বাস বড় কামারকুন্ডু গ্রামের বাসিন্দা। পৈতৃক সূত্রে তারা মোট ৪২ শতক জমির মালিক ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৬১ সালে টাকার অভাবে ৪২ শতকের মধ্যে ১৮ শতক জমি বিক্রি করেন মন্তাজ বিশ্বাস, শফিউদ্দিন বিশ্বাস ও তাদের মা ফোজদার নেছা। পরে বাকি ২৪ শতক জমি দুই ভাই সমানভাবে ১২ শতক করে ভাগ করে নেন এবং দীর্ঘদিন আগেই নিজ নিজ জমি ভোগদখলে নেন।

সমস্যার সূত্রপাত হয় কয়েক বছর আগে। অভিযোগ রয়েছে, শফিউদ্দিন বিশ্বাস তার ভাগের ১২ শতক জমির মধ্যে ৭ শতক জমি বিক্রি করেন। পরে সেই জমি একাধিকবার হাত বদল হয়। একই জমি আবারো কিনে বিক্রি করেন শফিউদ্দিন।  প্রথমবার এবং দ্বিতীয়বার ওই জমি কিনেছেন স্থানীয় বাসিন্দা লুৎফর রহমান।

এরপর শফিউদ্দিন বিশ্বাস মারা গেলে হঠাৎ করেই জমি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। অভিযোগ উঠেছে, ক্রেতা লুৎফর রহমান এখন ওই জমির মালিকানা দাবি করে ৯০ বছর বয়সী মন্তাজ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে, বড় কামারকুন্ডু গ্রামের ১৬৫ নম্বর মৌজার ওই জমি থেকে মন্তাজ বিশ্বাসকে সরে যেতে হবে।

এ বিষয়ে মন্তাজ বিশ্বাস বলেন,“আমি তো আমার ভাগের জমিতেই আছি। আমার ভাই যে জমি বিক্রি করেছে, তার দায় আমার ওপর কেন পড়বে? এই বয়সে আদালতে ঘুরে ঘুরে আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি।”
মন্তাজ বিশ্বাসের ছেলে রবিউল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, লুৎফর ভুয়া দলিল তৈরি করে জমি দখলের চেষ্টা করছে। যে জমি আমার চাচা বিক্রি করেছে, সেই জমি নিয়ে এখন আমার বাবাকে হয়রানি করা হচ্ছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায়।

স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষকে এভাবে মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা অমানবিক। তারা দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন বলেন, যেহেতু আদালতে মামলা চলছে তাই আমার কিছু করনীয় নেই। তবে এ ব্যাপারে যদি আমার কাছে কোন লিখিত অভিযোগ দেয় তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়