শিরোনাম
◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ ◈ ‘অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে’, রামিসা হত্যা মামলায় হাইকোর্টে প্রধান আসামির দাবি ◈ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের ৮১ শতাংশই ঝুঁকিতে, লোকসানের ভারে চাপে অর্থনীতি, ৮ লাখ ৩৩ হাজার কোটি টাকার দায় ◈ এমপি ঘিরে বলয়, প্রার্থী নিয়ে বিরোধ: জামায়াতে বাড়ছে বিদ্রোহী প্রবণতা, শাস্তি দিয়েও থামছে না প্রার্থিতা-লবিং ◈ হাড্ডাহা‌ড্ডি লড়াই, ১ গো‌লে হাইতি‌কে হারা‌লো স্কটল‌্যান্ড

প্রকাশিত : ৩০ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০১ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গোমতীতে দলবেঁধে মাছ শিকারের আমেজ, পলোতে ধরা পড়ল ১০ কেজির কারফু

শাহাজাদা এমরান, স্টাফ রিপোর্টার, কুমিল্লা : কুমিল্লার গোমতী নদীর বুকে যেন নেমেছিল এক অন্যরকম উৎসবের আবহ। সকাল থেকেই নদীর বিভিন্ন ঘাটে জড়ো হন শত শত জেলে ও স্থানীয় মানুষ। হাতে পলো, চোখে উত্তেজনা, দলবেঁধে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী পলো দিয়ে মাছ ধরার আয়োজন।
এ আয়োজন ঘিরে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে ছোট ছোট কিশোর থেকে বৃদ্ধ বয়সী লোকজন ও যোগ দেন এমন উৎসবে।

গতকাল (সোমবার) সকাল ১০ টা থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে দলে দলে জেলেরা যোগ দিতে থাকেন এই পলো উৎসবে। চৌদ্দগ্রাম, নাংগলকোট, সদর দক্ষিণ  ও সদর উপজেলা হতে প্রায় ৩০০ এর বেশি প্রবীণ-বৃদ্দ মিলিত হোন। বেলা ১১ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত দলবেধে মাছ ধরেন তারা। 

এই জমজমাট আয়োজনে সবচেয়ে বড় চমক দেখান ৮৫ বছর বয়সী প্রবীণ জেলে আবু হানিফ। 
তিনি হলেন মাছ ধরা দলের সকলের সর্দার। প্রায় ৫৫ বছর ধরে মাছ ধরেন তিনি। বয়সের ভারকে যেন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি পলো দিয়ে ধরেন প্রায় ১০ কেজি ওজনের একটি বিরল লাল কারফিউ মাছ।

আবু হানিফ জানান, ছোটবেলা থেকেই তিনি পলো দিয়ে মাছ ধরে থাকেন। প্রায় ৫৫-৬০ বছর ধরে মাছ ধরার অভিজ্ঞতায় তিনি অসংখ্যবার বড় বড় আকারের মাছ ধরেছেন। নদী থেকে সর্বোচ্চ ৩০ কেজি ওজনের বোয়াল মাছ ধরার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।

বছরের বিভিন্ন সময়েই দেখা যায় তাদের এমন মাছ ধরার আয়োজন। বিভিন্ন উপজেলায় দলের প্রতিনিধি থাকেন। সর্দার সকল প্রতিনিধিকে নির্দিষ্ট স্থান ও সময় জানিয়ে দিলেই সকলে উপস্থিত হয়ে যান নির্দিষ্ট ঠিকানায়। এভাবেই দীর্ঘঘদন ধরে চলছে পলো দিয়ে এমন মাছ ধরা।

এদিকে পলো দিয়ে মাছ ধরার এই ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি শুধু জীবিকার মাধ্যম নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। নদীর পানিতে একসাথে নেমে দলবেঁধে মাছ ধরার দৃশ্য যেন গ্রামবাংলার চিরচেনা ঐক্য ও আনন্দের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়