শিরোনাম
◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা ◈ জুলাইয়ে সমাহিত হবেন খামেনি, ঘোষণা ইরানের ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধে ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা আমিরাতের? ১০-২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের তথ্য প্রকাশ করল রয়টার্স ◈ ‘দেশের মালিক ২০ কোটি মানুষ, কোনো দল বা পরিবার নয়, জনগণের সমর্থন নিয়েই দেশের ভাগ্য বদলাবে বিএনপি’ ◈ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের অভিযোগ, এসআইসহ ৩ পুলিশ সদস্য ক্লোজড ◈ ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশিকে বেনাপোল দিয়ে ফেরত পাঠাল ভারত

প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৯ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবীনগরে লোডশেডিং বিদ্যুৎ সংকটে বিপর্যস্ত পোল্ট্রি খামার, দিশেহারা খামারিরা

মো. কামরুল ইসলাম, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবনের পাশাপাশি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে পোল্ট্রি খামার। বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, বাড়ছে খরচ—কমছে আয়। এতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন খামারিরা।

স্থানীয় খামারিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দিনে-রাতে মিলিয়ে ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে। এতে মুরগির বাচ্চা লালন-পালনে সবচেয়ে বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখা না যাওয়ায় অনেক বাচ্চা মারা যাচ্ছে।

নবীনগরের তরুণ খামারি মো. আব্দুল্লাহ বলেন, “বর্তমান লোডশেডিং পরিস্থিতি খুবই খারাপ। আমাদের খামারে দুই দিন আগে আনা বাচ্চাগুলো ঠিকমতো তাপ দিতে পারছি না। এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলে আবার দুই ঘণ্টা থাকে না। এতে বাচ্চাগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “লোডশেডিংয়ের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, খরচ বাড়ছে কিন্তু আয় কমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে খামার টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।”

উপজেলার আরও কয়েকজন খামারি জানান, বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহের কারণে মুরগি স্টক করা, ব্রুডিং পরিচালনা এবং খামারের উপযুক্ত পরিবেশ বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে অনেকেই বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছেন।

এ বিষয়ে নবীনগর পল্লীবিদ্যুতের ডিজিএম আবু ছায়েম বলেন, “জাতীয় গ্রিড থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ বরাদ্দ না পাওয়ায় লোডশেডিং বেড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আশা করি অচিরেই এর সমাধান হবে।”

খামারিরা বলছেন, দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা না হলে এ অঞ্চলের খামার শিল্প টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। তারা নবীনগরকে লোডশেডিংমুক্ত এলাকা ঘোষণা এবং বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উন্নয়নে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পোল্ট্রি খাতে আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়