শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ০২ মে, ২০২৬, ০৭:০১ বিকাল
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নানা সংকটে ব্যাহত হরিণাকুন্ডু হাসপাতালের স্বাস্থ্যসেবা

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্যসেবা। চিকিৎসক ও জনবল সংকট, ওষুধের ঘাটতি এবং চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির কারণে কাক্সিক্ষত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা রোগীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চিকিৎসক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার বন্ধ রয়েছে। এক্স-রে মেশিন চালু থাকলেও নানা অজুহাতে তা সচল থাকে না নিয়মিত। পাশাপাশি প্যাথলজি পরীক্ষাও ঠিকভাবে সম্পন্ন হয় না। এমনকি পদায়ন থাকা সত্ত্বেও অনেক চিকিৎসক হাসপাতালে যান না বলে অভিযোগ রয়েছে।

উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামে বাসিন্দা রহিম উদ্দিন বলেন, সকাল থেকে হাসপাতালে বসে আছি, কিন্তু এখনো ডাক্তারের দেখাতে পারিনি। আমরা গরিব মানুষ, বারবার শহরে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব না। এখানে ঠিকমতো সেবা পেলে আমাদের অনেক উপকার হতো।

হরিশপুর গ্রামে সালমা খাতুন বলেন, আমার বাচ্চাকে নিয়ে অনেক দূর থেকে এসেছি। ডাক্তার না থাকায় ঠিকভাবে চিকিৎসা পাচ্ছি না। শেষ পর্যন্ত বাধ্য হয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে যেতে হয়, যেখানে খরচ অনেক বেশি। এর আগেরদিন হাসপাতালে আসছিলাম। ডাক্তার এক্সরে করতে দিয়েছিলো। হাসপাতালে নাকি হয় না তাই বাইরে থেকে করতে হয়েছিলো।

এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালে যে ৩ জন চিকিৎসক ঠিক মত আসেন না তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি হাসপাতালের সেবার মান বৃদ্দিতে।

উল্লেখ্য, হরিণাকুন্ডু উপজেলার প্রায় আড়াই লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার জন্য ২০০৫ সালে হাসপাতালটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখানে অনুমোদিত ১৬৭ জন জনবলের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ৯৯ জন। প্রতি মাসে প্রায় ১৩ হাজার রোগী এই হাসপাতাল থেকে সেবা নিচ্ছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়