শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ০৩ মে, ২০২৬, ০৭:১২ বিকাল
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে তরুণ উদ্যোক্তার আঙ্গুর বিপ্লব, ৩ বিঘা থেকে এখন ২০ বিঘার ফল বাগান

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম লালের আঙ্গুর বাগান ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন সম্ভাবনার গল্প। ২০২৪ সালে মাত্র ৩ বিঘা জমিতে আঙ্গুর চাষ দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে তার বাগান বিস্তৃত হয়েছে ২০ বিঘায়, যার মধ্যে ৭ বিঘা জুড়ে রয়েছে আঙ্গুরের চাষ।

উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নের হাসাদহ তালপুকুর মাঠে গড়ে ওঠা এই বাগানে প্রতিদিনই চলছে আঙ্গুর সংগ্রহ। প্রতিদিন ২০ থেকে ৩০ ক্যারেট আঙ্গুর উৎপাদন হচ্ছে বলে জানান উদ্যোক্তা লাল। জেলার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা সরাসরি বাগানে এসে আঙ্গুর কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়, আর খুচরা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়।

লাল জানান, তার এই বাগানে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ জন শ্রমিক দৈনিক চুক্তিতে এবং আরও ১৫ জন মাসিক চুক্তিতে কাজ করছেন। ফলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি হয়েছে।

কুষ্টিয়া থেকে আসা পাইকার শরীফ বলেন, “অনলাইনে বাগানটি দেখে এখানে এসেছি। দেশের বাইরে থেকে যে আঙ্গুর আসে, এর মানও প্রায় একই রকম। তাই এখান থেকে কিনে নিয়ে গিয়ে আমার পার্টিদের কাছে বিক্রি করব।”

 কার্পাস ডাঙ্গা গ্রামের আব্দুল লতিফ জানান, “আমি দীর্ঘদিন ধরে আঙ্গুর চাষের পরিকল্পনা করছিলাম। আজ লাল ভাইয়ের বাগান দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছি। ১,৫০০টি চারা কিনে নিয়ে যাচ্ছি, নিজের বাগান গড়ার জন্য।”

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যেও বাগানটি নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। স্কুলছাত্র আব্দুর রহিম বলে, “আমাদের বাড়ি পাশের গ্রামে। মাঝে মাঝেই আমরা বাগানে আসি। এখানে এসে আঙ্গুর খেতেও পাই, খুব ভালো লাগে।”

খয়েরহুদা গ্রামের গৃহবধূ সপ্না তার ছোট মেয়ে লাবনীকে নিয়ে বাগান দেখতে এসে বলেন, “অনলাইনে দেখে আজ সরাসরি এলাম। বাগান খুব সুন্দর। গাছ থেকে আঙ্গুর খেয়েছি, যাওয়ার সময় কিছু কিনেও নিয়ে যাব।”

তরুণ উদ্যোক্তা আশরাফুল ইসলাম লালের এই সফলতা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। আধুনিক পদ্ধতিতে ফল চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার এ উদ্যোগ এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়