শিরোনাম
◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ ◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬, ০১:০১ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কারণে ফের আলোচনায় ডিবি হারুনের ক্যাশিয়ার মোকাররম 

ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) সাবেক প্রধান হারুন অর রশীদের ক্যাশিয়ার হিসেবে পরিচিত মোকাররম সর্দার এবার পশুর হাট ইজারা নিয়ে আলোচনায় এসেছেন। কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার একটি পশুর হাট মাত্র সোয়া এক কোটি টাকায় বাগিয়ে নিয়েছেন তিনি। অথচ গতবার এই হাটের ইজারামূল্য ছিল পৌনে চার কোটি টাকার বেশি। অর্থাৎ এবার সরকার আড়াই কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারিয়েছে।

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলা পরিষদের (ইউপি) অপসারিত চেয়ারম্যান মোকাররম সর্দার। ২০২৪ সালের ২১ মের নির্বাচনে তিনি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক ডিবিপ্রধান হারুন কিশোরগঞ্জ জেলা পুলিশকে ব্যবহার করে নির্বাচনে প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে জিতিয়ে আনেন। নির্বাচনের সময় অভিযোগটি ছিল ওপেন সিক্রেট একটি বিষয়। চব্বিশের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বেকায়দায় পড়েন মোকাররম সর্দার। গ্রেপ্তারও হন তিনি। কিন্তু অদৃশ্য কারণে পরে গারদ থেকে ছাড়াও পেয়ে যান তিনি।

জেলার সবচেয়ে বড় পশুর হাট নিকলী উপজেলার জারইতলা ইউনিয়নের গুপি রায়ের হাট। গতবার হাটটির ইজারামূল্য ছিল ৩ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার ৮০০ টাকা।

এবার মোকাররম সর্দার হাটটির ইজারা নিয়েছেন এক কোটি ২৫ লাখ টাকায়। মোকাররম সর্দার কীভাবে গতবারের তুলনায় অনেক কম টাকায় এবার ইজারা পেলেন, তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় হাটের প্রকৃত সম্ভাব্য আয় গোপন করে পৌনে চার কোটি টাকার হাটের ইজারা এবার সোয়া এক কোটি টাকায় পেয়ে গেছেন মোকাররম সর্দার। এমনকি তিনবার ইজারার জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার বিধান থাকার পরেও প্রথম বিজ্ঞপ্তিতেই ইজারাদার নির্বাচিত করা হয়েছে।

নিকলী রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক খাইরুল মোমেন স্বপন বলেন, ‘যে হাটের ইজারামূল্য গত বছর প্রায় পৌনে চার কোটি টাকা ছিল, সেটা এবার মাত্র সোয়া এক কোটি টাকায় কীভাবে ইজারা দেওয়া হয়? প্রতি বুধবার হাটে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসে, বেচাকেনা দিন দিন বাড়ছে। তাহলে সরকারি রাজস্ব এক বছরে আড়াই কোটি টাকা কমে গেল কীভাবে? নিয়ম অনুযায়ী তিনবার বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ থাকলেও প্রথম বিজ্ঞপ্তিতেই তড়িঘড়ি করে এত কম দামে হাটটি ছেড়ে দেওয়া হলো। পটপরিবর্তন হলেও ক্ষমতার জোর খাটিয়ে প্রভাবশালীরাই সব নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারের এই বিশাল রাজস্ব ক্ষতির পেছনে কী রহস্য আছে, আমরা তার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’

জানতে চাইলে ইজারাদার মোকাররম সর্দার বলেন, ‘আমি হিসাব-নিকাশ করে হাটটি ইজারা নিতে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা ডাক দিয়েছি। সেটি সর্বোচ্চ দর হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী আমি হাটটির ইজারা পেয়েছি। এ নিয়ে আমার আর কোনো বক্তব্য নাই।’

এ ব্যাপারে নিকলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহানা মজুমদার মুক্তি বলেন, ‘বিধি অনুযায়ী সর্বোচ্চ দরদাতাকে ইজারা দেওয়া হয়েছে। বিগত বছরগুলোতে ইজারামূল্য ছিল মাত্র ২৫ লাখ টাকা। গত বছরেরটা ব্যতিক্রম ছিল। এত টাকায় ইজারা নিতে কেউ আগ্রহী হননি। এবার সর্বোচ্চ দরদাতাকে পাওয়ায় তাঁকেই ইজারা দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি সর্বোচ্চ দর দেন, তাঁকে দিতেই হয়। সর্বোচ্চ দরদাতার সব যোগ্যতা ছিল, সে ক্ষেত্রে তাঁকে বাদ দেওয়ার কোনো অপশন ছিল না। যদি যোগ্যতা না থাকত, কোনো একটা কারণে তাঁকে বাদ দিতে পারতাম, তাহলে আমরা পুনরায় টেন্ডার দিতে পারতাম।’ উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়