শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ০৬ জুন, ২০২৬, ১১:৪৬ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোলে সোহাগ হত্যাচেষ্টার গ্রেফতার নেই, উদ্ধার হয়নি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: যশোরের বেনাপোলে সোহাগ নামে এক যুবককে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টা পার হলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। একই সঙ্গে হামলায় ব্যবহৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়নি বলে জানা গেছে।

আসামীরা হলেন: বেনাপোল পোর্ট থানার মো. ইসমাইলের ছেলে কুতুব উদ্দিন আশা (৩০), একই গ্রামের ইসরাফিলের ছেলে নয়ন (৩০) ও চয়ন (২৭), জামু সরদারের ছেলে বাবা (৪০), বড়আঁচড়া গ্রামের মোতাহার মিস্ত্রির ছেলে উজ্জ্বল হোসেন (২৮), গাতিপাড়া গ্রামের হবির ছেলে রনি (২৮), নামাজ গ্রামের রাজু (৩৪) এবং ছোট আঁচড়া গ্রামের ইসরাফিল (৫৪)।

এর আগে পাওনা টাকা চাওয়াই গত শুক্রবার রাতে বেনাপোল চেকপোস্ট এলাকায় সোহাগের বাড়িতে ঢুকে চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে। তবে ভাগ্যক্রমে তিনি অক্ষত অবস্থায় প্রাণে বেঁচে যান। ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সোহাগ বেনাপোল পোর্ট থানায় ৭ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। 

সোহাগ অভিযোগ করে বলেন, “ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে স্থানীয় লোকজন আলমগীর নামে একজনকে ধরে  পুলিশের কাছে দিলেও তাকে শেষ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়নি। এতে আমি ও আমার পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্তের কাজ চলছে। তাদের গ্রেফতার এবং ব্যবহৃত অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আর যাকে জনতা ধরে দিয়েছিল সে গনধোলায়ের শিকার হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে সে দোষী কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং নজরদারিতে  আছে। 

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা না হলে এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়তে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়