শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৮:৫৯ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এই হাসপাতালের দেয়ালে দেয়ালে দালাল , হাসপাতাল ডেভেলপ করতে গেলে আরো বিশ বছর লাগবে!

শেরপুর তপু সরকার, হারুনঃ বাঘা বাঘা রাজনৈতিক নেতা এলাকায় কাজ করে আসছি -দূর্ণিতী সব জায়গায় আছে, দূর্ণিতীর একটি সিস্টেম রয়েছে, সব জায়গায় সব কিছু হয় না। বলেন ডা. তাহেরাতুল আশরাফী ডা. তাহেরাতুল আশরাফী শেরপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে আবাসিক মেডিকেল অফিসার (RMO) হিসেবে গত ২০২৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন।

যোগদানের পর থেকে শেরপুরে তিনি নিজেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করেন না। এবং যোগদান করার আড়াই বছর হলেও এখনো তিনি তার বাড়ী টাঙ্গাইল থেকে অফিস করেন শেরপুরে। সাধারন মানুষের অভিযোগ আমরা নিয়মিত (আর এমও) স্যার কে না পাওয়াই-অনেকটাই নিরুপায়। নিজে অনিয়মিত অফিস করেন এবং এও বলেন (আরএমও)রোগী দেখলে অন্যকাজ গুলি কে করবে।

গত ৫মে মঙ্গলবার সকাল সারে ১১টায় ডাঃ তাহেরাতুল আশরাফী (RMO) শেরপুর তার সাথে কোন এক রোগীর সার্টিফিকেট বিষয়ে কথা বলতে গেলে –তিনি বিভিন্ন কথার মাঝ পথে এভাবেই আমাদের সামনে কথাগুলি তুলে ধরলেন। এই হাসপাতাল ডেভেলপ করতে গেলে আরো বিশ বছর লাগবে-আমি চিটাগাং ১১ বছর চাকুরী করে এসেছি, হাসান মাহমুদ, বলেন সাকাচৌধুরীর , এলাকা বলেন বাঘা বাঘা রাজনৈতিক নেতা এলাকা বলেন- ওবায়দুল কাদের এর নোয়াখালী রোহিঙ্গা তে সেখানেও আমি কাজ করে আসছি। দূর্ণিতী সব জায়গায় আছে, দূর্ণিতীর একটি সিস্টেম রয়েছে, সব জায়গায় সব কিছু হয় না। এখানে আমি পার্সোনালি ভাবে বলছি, এই হাসপাতালের দেয়ালে দেয়ালে দালাল ও যা কিছু অনিয়ম এগুলি কিভাবে ঠিক করবে আমি জানিনা।

আরেকটি বিষয় হলো (আর এমও) আসলে কিছুই নয়, সার্টিফিকেট সেকশন টি জাস্ট একটি সিন্ডিকেটের মধ্য পরে গেছে-আগের রাজনৈতিক দলের মত। (আর এমও) রোগী দেখেন না। (আরএমও) র”অনেক কাজ ,রোগী দেখবে কখন । রোগী দেখেন ইমারজেন্সির ডাঃ সাক্ষী দিবেন তিনিই (আর এমও নয় ) আরেকটি বিষয় বাংলাদেশের কোথাও ২৫০শয্যা হাসপাতালের পার্শ্বে এতো প্রাইভেট হাসপাতাল ও ক্লিনিক নেই।সরকারী নিয়ম হচ্ছে সরকারী ২৫০শয্যা হাসপাতালের দুই থেকে তিন কিলোমিটার দুরে থাকবে প্রাইভেট হসপিটাল, এবং ক্লিনিক । শেরপুরে ২৫০শয্যা হাসপাতালে সাথে অগনিত প্রাইভেট হসপিটাল, এবং ক্লিনিক এগুলি কে দেখবে। তিনি মুখে সুন্দর নীতি বাক্য বলবেন –আবার শেরপুরের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করবেন।

এ বিষয়ে শেরপুর ২৫০শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সেলিম মিঞা সাথে কথা হলে তিনি বলেন গত আড়াই বছর ধরে যোগদান করেই তিনি বদলির জন্য আবেদন করেছেন। তিনি অনেক ভালো মানের একজন ডা. এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্), ডিজিও (গাইনী এন্ড অবস্)তিনি গাইনি ও অবস (গর্ভকালীন ও প্রসূতি) অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ-চিকিৎসক। এতো ভালো মানের একজন ডাঃ এসেই চলে যেতে চাইলে আমার করার কি আছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়