শিরোনাম
◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৮:২৬ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নওগাঁয় পুলিশ সুপারের ঐকান্তিক প্রচেস্টায় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধার, শীর্ষ দুই মাদক সম্রাট গ্রেফতার

আশরাফুল নয়ন, ​নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর নিয়ামতপুরে পুলিশ সুপারের ঐকান্তিক প্রচেস্টায় ৪০ লাখ টাকার গাঁজা উদ্ধারসহ দুই শীর্ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা পুলিশ।

সোমবার ভোররাতে এক শ্বাসরুদ্ধকর অভিযানে উপজেলার পাড়ইল ইউনিয়নের তুলার বাঐল গ্রামের একটি মাটির বাড়ি থেকে ৪০ লাখ টাকা মূল্যের ৯০ কেজি গাঁজাসহ দুই শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেন।

তুলার বাঐল গ্রামের মোঃ এজামুলের ছেলে মোঃ হামেদুল ইসলাম (৩৫) এবং মৃত আজমুদ্দিনের ছেলে মোঃ রশিদকে (৪৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৬ জুন পুলিশ সুপারের কাছে সংবাদ আসে যে পাড়ইল ইউনিয়নে ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি গভীর তদন্তের জন্য অফিসার ইনচার্জ নিয়ামতপুর থানকে নির্দেশনা প্রদান করেন। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ৭ জুন  রাতে হামেদুল নামে ব্যক্তিকে আটক করা হয়। হামিদুলকে জিজ্ঞাসাবাদে কথাবার্তা সন্দেহ হলে পুলিশ সুপারের পরামর্শে তার বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সূত্র ধরে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ হলে সে নিজেকে মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন ​হামেদুলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ সুপার, নওগাঁর দিক-নির্দেশনায় ও ঐকান্তিক প্রচেস্টায় নিয়ামতপুর থানার একটি বিশেষ  টিম সোমবার রাত ১২ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত তুলার বাঐল গ্রামের একটি দোতলা মাটির ভবনে অভিযান চালায়। দীর্ঘ পাঁচ ঘণ্টার এই অভিযানে বাড়িটি থেকে চমৎকার প্যাকেটে মোড়ানো ৯০ কেজি শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

এসময় ঐ গ্রামের গ্রামের  এজামুলের ছেলে  হামেদুল ইসলাম (৩৫) এবং মৃত আজমুদ্দিনের ছেলে রশিদকে (৪৪) গ্রেফতার করা হয়।

আটকের পরে পুলিশ সুপার  জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানায়, তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত এবং অন্যান্য স্থান থেকে হাইস মাইক্রোবাস কিংবা ট্রাকে করে এই মাদকের চালান নিয়ে আসত। হামেদুলের দোতলা মাটির বাড়িটি মূলত মাদকের ‘সেফ হাউস’ বা গোডাউন হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এখান থেকে নওগাঁ ও পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোর বিভিন্ন স্থানে পাইকারি ও খুচরা গাঁজা সরবরাহ করা হতো। মাদক ব্যবসার লভ্যাংশ ছাড়াও প্রতি ৩০ কেজি গাঁজা এই গোডাউনে রাখার জন্য বাড়ির মালিক হামেদুল ৫ হাজার টাকা করে পেত। এই চক্রের সাথে আরও বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসায়ী জড়িত রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটককৃতদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

​নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নিয়ামতপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে। এই চক্রের পেছনের মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে পুলিশ গভীরভাবে তদন্ত করছে। এরং মাদকের বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতিতে চলছে। জেলাকে মাদকমুক্ত করতে আগামী দিনগুলোতে পুলিশের এই কঠোর অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়