শিরোনাম
◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:২৪ রাত
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাস্টমস ফাঁকির চেষ্টা আইফোন-গুগলের ১০২ মোবাইল নিয়ে, অতঃপর...

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কাস্টমসের চোখ ফাঁকি দিতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন ৪ নারী যাত্রী। বিমানবন্দরের অভ্যন্তরীণ টার্মিনালে ওই চার যাত্রীকে আটকে তাদের কাছ থেকে ১০২টি দামি মোবাইল হ্যান্ডসেট উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই-চট্টগ্রাম-ঢাকা ফ্লাইটে ঢাকা আসেন তারা।

বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কাস্টমস এবং এ্যাভসেকের বিমান বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে ফ্লাইটের অভ্যন্তরের সব যাত্রীদের বিশেষ নজরদারিতে রাখেন। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করার সময় তল্লাশি করে চারজন মহিলা যাত্রী- সামিয়া সুলতানা, শামিমা আক্তার, জয়নব বেগম এবং নুসরাত তাদের শরীরে বিশেষ কায়দায় লুকায়িত রাখা ৩৫টি আইফোন ১৭ প্রো-ম্যাক্স, ৫৫টি আইফোন ফিফটিন এবং ১২টি গুগল পিক্সেল ফোনসহ সর্বমোট ১০২টি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। 

পরবর্তীতে যাত্রীরা ফোন সম্পর্কে কোনো তথ্য না দিতে পারায় বিমানবন্দর কাস্টমস ৯৮টি মোবাইল ফোন জব্দ করেন, যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ৭৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা।

মুহাম্মাদ কাউছার জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিনিয়ত চোরাকারবারিরা বিভিন্ন সময় স্বর্ণ, মোবাইল, সিগারেট পাচার করে থাকেন। যেসব বিমান দুবাই, শারজাহ থেকে ঢাকায় আগমন করে সেসব বিমানে বেশি হয়ে থাকে। সময়ের সাথে চোরাকারবারিরা তাদের কৌশল পরিবর্তন করেছে। দুবাই, শারজাহর যে সব বিমান চট্টগ্রাম হয়ে আসে সেসব বিমানে চট্টগ্রাম থেকে চোরাকারবারিদের নিজস্ব কিছু লোক ঢাকা আসার জন্য ওঠে এবং বিমানের মধ্যে কৌশলে স্বর্ণ, মোবাইল হস্তান্তর করেন। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়