শিরোনাম
◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:২৫ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দ্বিগুন আমদানি হওয়া সত্ত্বেও বাজারে নেই মথ ডাল

দেশে গত অর্থবছরে ২১ হাজার ৮৯১ টন মথ ডাল আমদানি হয়েছে। কিন্তু বাজারে এ ডালের কোনো অস্তিত্ব নেই। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর বলছে, ক্ষতিকর রং মিশিয়ে এই ডাল বিক্রি হচ্ছে মুগ ডাল নামে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এমন পরিস্থিতিতে রং মেশানো মথ ডাল না কেনার পরামর্শ দিয়েছে বিএফএসএ। 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে মুগ ডাল আমাদানি হয়েছে ১০ হাজার ৯৬১ টন। অন্যদিকে মথ ডাল আমদানি হয়েছে ২১ হাজার ৮৯১ টন। মুগ ডালের তুলনায় মথ ডালের আমদানি প্রায় দ্বিগুণ। কিন্তু বাজারে মথ ডাল নামে কোনো ডাল পাওয়া যাচ্ছে না। 

মথ ডালে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে মুগ ডালের নামে বিক্রি করা হচ্ছে– এমন তথ্য পেয়ে অনুসন্ধানে নামেন সংস্থাটির কর্মকর্তারা। তারা বিভিন্ন বাজার থেকে মুগ ডালের ৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করেন। প্রাথমিক পরীক্ষায় ১৮টি নমুনার মধ্যে হলুদ রঙের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। রং মিশ্রিত ডালের একটি নমুনা বিএসটিআইর ল্যাবরেটরিতে পাঠালে পরীক্ষা করার পর ওই নমুনায় টারট্রাজিন রং পাওয়া যায়। খাদ্য-সংযোজন দ্রব্য ব্যবহার প্রবিধানমালা, ২০১৭ অনুযায়ী, টারট্রাজিন রংটি সতর্কতার সঙ্গে ব্যবহারযোগ্য। 

বিএফএসএর চেয়ারম্যান জাকারিয়া সমকালকে বলেন, ডাল বা শস্যে রং ব্যবহারের অনুমোদন নেই। এতে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে। আমদানির সময় মুগ ও মথ ডালের রং পরীক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং রং মিশ্রিত ডাল যাতে বাংলাদেশে আমদানি না হয়, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। 

বিএফএসএর নির্দেশে মথ ডালের অস্তিত্ব খুঁজতে মাঠে নামে ভোক্তা অধিদপ্তর। গত তিন-চারদিন ঢাকার রহমতগঞ্জ, কারওয়ান বাজার, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মথ ডালের কোনো অস্তিত্ব পায়নি অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। রং মিশিয়ে মুগ ডাল নামে বিক্রি করার অপরাধে কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে প্রায় ১০ লাখ টাকা জরিমানা করে তারা। 

অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা সমকালকে জানান, ডাল ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানির পর রং মেশানো হয়। ভোক্তারা ডালের রং উজ্জ্বল না হলে কিনতে চান না। সে জন্য এই রং ব্যবহার করা হচ্ছে বলে তাদের অভিযানে তথ্য মিলছে। 

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়