শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:২১ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল সোনার দাম

বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা এবং ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মাত্র একদিনের ব্যবধানে মূল্যবান এই ধাতুর দাম আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স স্পট গোল্ডের দাম ৫ হাজার ১৮৭ মার্কিন ডলারের আশেপাশে অবস্থান করছে। গতকাল বুধবার এই দাম ছিল ৫ হাজার ১৬৫ ডলার। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতি আউন্স সোনার দাম প্রায় ২২ ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে।

চলতি বছরের শুরু থেকেই সোনার বাজার নজিরবিহীন অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গত জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে সোনা তার ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড স্পর্শ করেছিল, যখন প্রতি আউন্স সোনালী ধাতুর দাম উঠেছিল ৫ হাজার ৫৯৪ ডলারে। যদিও বর্তমান দাম সেই সর্বোচ্চ শিখর থেকে কিছুটা নিচে অবস্থান করছে, তবে গত বছরের তুলনায় এই মূল্য প্রায় ৬৪ শতাংশ বেশি।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৬ সালের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মাত্র দুই মাসেই সোনার দাম প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, সোনার দাম এভাবে লাফিয়ে বাড়ার পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করছে। 

প্রথমত, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা। বিশেষ করে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং ওই অঞ্চলে যুদ্ধের আশঙ্কার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে সোনার ওপর মানুষের নির্ভরশীলতা বহুগুণ বেড়ে গেছে। 

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর শুল্ক নীতিকে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন বিশ্বের সকল দেশের ওপর নতুন করে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করার ঘোষণা দেওয়ায় বিশ্ব বাণিজ্যে চরম অস্থিরতা শুরু হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীরা মার্কিন ডলারের ওপর থেকে আস্থা হারিয়ে সোনা মজুদের দিকে ঝুঁকছেন।

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কারণটি হলো বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সোনা কেনার হিড়িক। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের রিজার্ভের জন্য ডলারের বদলে সোনা সংগ্রহ করাকে বেশি নিরাপদ মনে করছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দামি এই ধাতুর বাজার দরে বড় প্রভাব পড়ছে। 

ভবিষ্যতের পূর্বাভাসও খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। বিখ্যাত বৈশ্বিক বিশ্লেষক সংস্থা ইউবিএস (UBS) এবং গোল্ডম্যান স্যাকসের দেওয়া সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, সোনার এই জয়যাত্রা এখানেই থেমে থাকছে না। সংস্থা দুটির পূর্বাভাস বলছে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সোনার দাম আউন্স প্রতি ৫ হাজার ৪০০ ডলার থেকে শুরু করে ৬ হাজার ৩০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। 

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়