শিরোনাম
◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩১ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনজুর এ আজিজ

স্বর্ণ ও হীরা শিল্পের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর আশ্বাস অর্থমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্বর্ণ ও হীরা শিল্পের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে তৈরি পোশাক শিল্পের সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতের বিকাশের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

তিনি রপ্তানি বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনতে তৈরি পোশাক শিল্পের মতো অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতকেও তৈরি পোশাক শিল্পের সমপর্যায়ের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হবে বলে আশ্বাস দেন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাও হোটেলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও এফবিসিসিআইর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পরামর্শ কমিটির ৪৬ তম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির  এবং সভাপতিত্ব করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত দারুণ সফল হলেও স্বর্ণ বা হীরা শিল্পের মতো অন্যান্য খাতগুলো পিছিয়ে রয়েছে। এখন থেকে যেকোনো সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত যদি প্রস্তাব দেয়, তবে তাদের গার্মেন্টস শিল্পের সমান সুবিধা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, চুরির ভয়ে আমরা খাতগুলো আটকে রাখব না; চুরির সমাধান আলাদাভাবে হবে, কিন্তু ব্যবসার সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।

মন্ত্রী বন্দরগুলোতে অহেতুক ব্যয় বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। কোথায় কোথায় ব্যবসায়ীরা বাধার সম্মুখীন হচ্ছে তা জানানোর আহবান জানান এবং দ্রুত সমাধান করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, দেশের বর্তমান ভঙ্গুর অর্থনীতি সংস্কারে সময়ের প্রয়োজন। দারিদ্র্য বিমোচন ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে এবার একটি বড় ও কোয়ালিটি বাজেটের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ডিমান্ড ক্রিয়েট করবে।

তিনি জানান, রাজস্ব আদায় বাড়াতে ওয়ান সিটিজেন ওয়ান কার্ড এবং পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাইজেশনের মাধ্যমে করদাতা ও কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি সংযোগ কমানো হবে, যা দুর্নীতি হ্রাস করবে। ক্যাবিনেটে ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত ডিজিটাল প্রজেক্ট পাস হয়েছে।

কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারগুলোকে সহায়তা করার অনুরোধ জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যারা এখনো কর জালের বাইরে থেকে অসম প্রতিযোগিতা তৈরি করছে, তাদের করের আওতায় আনতে ব্যবসায়ীদের সহায়তা চান। তিনি ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেন বলেন, পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি নয়, বরং ডেমোক্রেটাইজেশন অফ ইকোনমি’ বা অর্থনীতির গণতান্ত্রিকীকরণে বিশ্বাসী বর্তমান সরকার যেখানে সকল ব্যবসায়ী সমান সুযোগ পাবেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়