শিরোনাম
◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল ◈ প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, আসছে নতুন বিধান

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ০৩:৫২ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০১:১১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যাংকিংয়ে কড়াকড়ি, ক্যাশলেস অর্থনীতির পথে নতুন চ্যালেঞ্জ

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ঠিক করা হচ্ছে প্রায় ৭ লাখ কোটি টাকা। বিশাল অঙ্কের এ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য পূরণে নতুন নতুন উৎসের সন্ধানে সরকার।

এরই অংশ হিসেবে ব্যাংক হিসাব খোলা এবং বিদ্যমান হিসাব সচল রাখতে টিআইএন যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে এনবিআর। অবশ্য শিক্ষার্থী, ভাতাভোগী এবং কর অব্যাহতি প্রাপ্তরা এর বাইরে থাকবেন।

ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, সরকারের এ উদ্যোগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে ব্যাংক ব্যবস্থায়। নগদ লেনদেনে অনুৎসাহিত হাতে পারেন গ্রাহকরা।

শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের মতে, নতুন গ্রাহকেরা অবশ্যই বিমুখ হবেন। যারা এখন আছেন তারা কম টাকা রাখবে। যাদের উচ্চ লেনদেন হয়, তারাও কমিয়ে দেবে, তারা মনে করবে তাদের লেনদেনে নজর রাখা হচ্ছে। ক্যাশলেস সোসাইটির কথা বরা হচ্ছে, এটা (টিআইএন যুক্ত করা) আরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, টিআইএন একেবারে ট্যাক্সের সাথে জড়িত। আমাদের দেশে এমনিতেই অনেক মানুষ এখনও ট্যাক্স আওতার বাইরে। তারা ভয় পায়, ট্যাক্সের আওতায় এলে তাদের হয়রানি হবে, বিশেষ করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা। ফরমাল ফাইনান্সিয়াল অ্যাকাউন্টে টিআইএন যুক্ত করা ভয়ের কারণ হয়ে গেলে ক্যাশলেস লেনদেনের পথটাও আরো কঠিন হয়ে যাবে। 

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংক আমানতের ওপর কিছুটা ছাড় দেওয়া হতে পারে আবগারি শুল্কে। বর্তমানে ৩ লাখ টাকার আমানতের ওপর আবগারি শুল্ক নেই। আগামী বাজেটে এর পরিমাণ বাড়িয়ে ৫ লাখ টাকা হতে পারে। তবে পরের ধাপগুলোতে শুল্কের পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকছে।

যদিও ব্যাংকার ও বিশ্লেষকরা বলছেন, মুনাফায় উৎসে কর কাটা হচ্ছে। তাই মূল আমানতের ওপর কোনো শুল্ক আরোপ করা ঠিক নয়। 

মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, সবকিছু ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ওপর চাপিয়ে দিলে আসলে গ্রাহকেরা নিরুৎসাহিত হবে। কোনো সন্দেহ নাই যে, ব্যাংকের লেনদেন কম হবে। মানুষ আগে চিন্তা করতো না, কত টাকা রাখলে বা কত টাকার এফডিআর করলে কত ট্যাক্স হবে। এখন সবাই ভেঙে ভেঙে এফডিআর করতেছে, যাতে করে ট্যাক্সের আওতায় না পড়ে। লাভটা কী হচ্ছে?

ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেছেন, প্রিন্সিপাল তো নতুন আয় না। ইন্টারেস্টটা হলো নতুন আয়। সেটার ওপর ট্যাক্স বসানো ঠিক আছে। বেসিক প্রিন্সিপাল যেটা ডিপোজিটে থাকে, সেটার ওপর ট্যাক্স দিতে গেলে মানুষ আসলে টাকা ডিপোজিট অ্যাকাউন্টে রাখতে চাইবে না। বিশেষ করে ক্ষুদ্র আয়ের মানুষ যারা আছে। তারা তখন নিরুৎসাহিত হয়ে যাবে। তখন ব্যাংকের বাইরে টাকা বেড়ে যাবে।  

এদিকে, আবগারি শুল্ক থেকে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে বছরে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করে থাকে। উৎস: যমুনা টেলিভিশন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়