শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০১:১৮ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নীরব ঘাতক ক্রনিক কিডনি ডিজিজ: জানুন লক্ষণ, কারণ ও প্রতিকার

আমাদের শরীরের ভেতরে নিরলসভাবে কাজ করে চলা দুটি অঙ্গ হলো কিডনি। প্রতিদিন এগুলো শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ও টক্সিন ছেঁকে শরীরকে সুস্থ রাখে। কিন্তু যখন কিডনি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন শরীরে জমতে শুরু করে ক্ষতিকর উপাদান। এ অবস্থায় দেখা দেয় দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ (ক্রনিক কিডনি ডিজিজ বা সিকেডি)

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে সাধারণত কোনো উপসর্গই বোঝা যায় না।

কিডনি রোগের লক্ষণ

প্রথমে তেমন কোনো উপসর্গ না থাকলেও রোগ অগ্রসর হলে দেখা দিতে পারে—

প্রধান কারণ

দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগের সবচেয়ে বড় দুটি কারণ হলো—

  1. ডায়াবেটিস

  2. উচ্চ রক্তচাপ

এছাড়া আরও কিছু কারণ হলো—

  • গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস

  • পলিসিস্টিক কিডনি ডিজিজ (জেনেটিক সমস্যা)

  • প্রস্রাবের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়া (পাথর, প্রস্টেট বা টিউমার)

  • দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন

  • পুনরাবৃত্ত কিডনি সংক্রমণ

জটিলতা

কিডনি রোগ বাড়তে থাকলে হতে পারে—

  • অ্যানিমিয়া

  • হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া

  • গাউট, উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ

  • স্ট্রোকের ঝুঁকি

  • স্নায়ুর ক্ষতি

  • শরীরে অতিরিক্ত পটাশিয়াম বা ফসফরাস জমা

  • শরীরে পানি জমে শ্বাসকষ্ট

চিকিৎসা

কিডনি রোগের স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তবে সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নিলে কিডনিকে সক্রিয় রাখা সম্ভব। যেমন—

  • নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া

  • ডায়াবেটিস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ

  • কিডনি-বান্ধব খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ

  • ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার

  • নিয়মিত ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

প্রতিরোধ

  • নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা

  • রক্তচাপ ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ

  • সুষম খাদ্য গ্রহণ

  • ধূমপান-মদ্যপান বর্জন

  • ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা

  • অকারণে ব্যথানাশক ওষুধ না খাওয়া

? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগ একবার শুরু হলে তা আজীবন চলতে থাকে। তবে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই—সঠিক সময়ে চিকিৎসা, নিয়মিত পরীক্ষা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করলে কিডনির কার্যক্ষমতা অনেকদিন ধরে রাখা সম্ভব। মনে রাখতে হবে, কিডনি রোগ যতটা ভয়াবহ, ততটাই প্রতিরোধযোগ্য। সূত্র: ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়