শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:১১ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুর ঘুমের সমস্যা দূর করতে করণীয়

শিশুর স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অপরিহার্য। অনেক শিশু দিনে বেশি ঘুমায় এবং রাত জেগে কাটায়, যা মা-বাবার জন্য বিড়ম্বনার কারণ হয়। মূলত নবজাতকের এই সমস্যা বেশি দেখা যায়, কারণ তারা মাতৃগর্ভে দিন-রাত বুঝতে পারে না এবং তাদের মগজের যে অংশ দিন-রাত বুঝতে পারে, তা পরিণত হতে সময় লাগে। শিশুর পেটে ব্যথা (ইনফেনটাইল কলিক) বা অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতাও ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

তবে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করলে শিশু দিন ও রাতের পার্থক্য দ্রুত বুঝতে পেরে দিনে জেগে থেকে রাতে ঘুমাতে শুরু করবে:

দিনের বেলা করণীয়

•ঘরে উজ্জ্বল আলো জ্বালিয়ে রাখুন।
পরস্পরের সঙ্গে এবং বাচ্চার সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যান।
•মিউজিক ও টিভি চালাতে পারেন (তবে স্ক্রিন টাইম সীমিত রাখুন)।
•দিনের বেলা অতিথি এলে শিশুকে ঘুম থেকে তুলতে দ্বিধা করবেন না।
•শিশু দিনে দুই-চারবার ১ থেকে ১.৫ ঘণ্টার ঘুম দিতে পারে।

সন্ধ্যা ও রাতের বেলা করণীয়

•সন্ধ্যা ৬টার পর: শিশু যেন না ঘুমায়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। খেলা, কথা বলা ও মিউজিক চালিয়ে যান।
•ঘুমের প্রস্তুতি: রাত ৮টা-৯টার পর থেকেই শিশুর ঘুমের আয়োজন শুরু করুন। ঘরের সব বাতি নিভিয়ে দিন।
•খাওয়ানো: সর্বশেষ রাত ১০টার দিকে শিশুকে খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।
•ঘুমানোর পরিবেশ: শিশু না ঘুমালেও তাকে বিছানায় নিয়ে যান। রাতে ঘুমানোর জন্য ছড়া বা গান শোনাতে পারেন, তবে টিভির ধারে কাছে নেবেন না।
•ঘুম পাড়ানো: কোলে নিয়ে বা দোলনায় দোল দিয়ে শিশুকে তাড়াতাড়ি ঘুম পাড়ানো যায়।
•পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: কুসুম গরম পানি দিয়ে মুছে দিলে শিশু ফ্রেশ থাকবে এবং ঘুমাবেও কম।

মনে রাখতে হবে, শিশুর ঘুমের ধরন ও সময় নির্দিষ্ট হতে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এই পদ্ধতিগুলো অনুসরণের সময় খুব কঠোর না হয়ে ধৈর্যশীল থাকতে হবে।

লেখক : বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক

সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়