শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২৫, ০৯:০৭ সকাল
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পেতে ব্যাংকে কত টাকা দেখাতে হবে, কীভাবে সাজাবেন ফাইনান্সিয়াল ডকুমেন্টস

বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে অনেকেই অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা (Subclass 600) এর জন্য আবেদন করছেন। তবে অনেকের মনেই প্রশ্ন— ভিসা পেতে ব্যাংকে কত টাকা দেখাতে হবে, আর কীভাবে ফাইন্যান্সিয়াল ডকুমেন্টস সাজাতে হবে?

বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ট্রেলিয়া ভিজিটর ভিসা আবেদনকারীর ফাইনান্সিয়াল অবস্থান যত শক্তিশালীভাবে উপস্থাপন করা যায়, ভিসা অনুমোদনের সম্ভাবনাও তত বেশি থাকে। তাই আবেদনকারীর ব্যাংক ব্যালেন্স, ট্যাক্স প্রোফাইল, প্রপার্টি ভ্যালুয়েশন সার্টিফিকেটসহ সামগ্রিক আর্থিক স্থিতি স্পষ্টভাবে দেখানো জরুরি।

এখনই অস্ট্রেলিয়ার ভিসা আবেদন করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ ডিসেম্বর ও জানুয়ারির উৎসব মৌসুমে (ক্রিসমাস ও নিউ ইয়ারে) দেশটিতে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে এবং এই সময় ভিসা অনুমোদনের হারও তুলনামূলক বেশি থাকে।

অভিজ্ঞ ভিসা কনসালট্যান্টদের মতে, আপনি যদি একা ভ্রমণে যান এবং ১০-১২ দিনের জন্য অস্ট্রেলিয়া সফরের পরিকল্পনা করেন, তাহলে অন্তত ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ব্যাংক ব্যালেন্স দেখানো উচিত। কারণ, আপনি যে খরচের পরিকল্পনা করছেন তার তিন থেকে চার গুণ পরিমাণ অর্থ আপনার অ্যাকাউন্টে থাকা প্রয়োজন, যাতে প্রমাণ হয় যে আপনি স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ ব্যয় বহন করতে পারবেন।

তারা আরও বলেন, যদি আবেদনকারী ব্যবসায়ী হন, তবে কারেন্ট অ্যাকাউন্টের লেনদেন, ট্যাক্স রিটার্ন, প্রপার্টি ভ্যালুয়েশন সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য আর্থিক প্রমাণ সংযুক্ত করলে ভিসা অনুমোদনের সম্ভাবনা আরও বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই আবেদন করার সময় ট্যাক্স ডকুমেন্ট সংযুক্ত না করায় ভিসা প্রত্যাখ্যাত হন। অথচ অস্ট্রেলিয়া দূতাবাস ট্যাক্স প্রোফাইলকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে থাকে।

সুতরাং, আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ, নিয়মিত ট্যাক্স রিটার্ন, স্থিতিশীল আয় ও সম্পদের প্রমাণ থাকলে অস্ট্রেলিয়ার ভিজিটর ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়