শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তিচুক্তির ৯ দফা: যা থাকছে সমঝোতায় ◈ ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করলে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেত: জামায়াত আমির ◈ সেবায় অবহেলা ও অনিয়মের অভিযোগে ২১ ওমরাহ কোম্পানির লাইসেন্স স্থগিত করল সৌদি ◈ বেরোবির সাবেক ভিসি কলিমুল্লাহকে জামিন দিল হাইকোর্ট ◈ চীনা বিনিয়োগ টানতে বিশেষ পরিকল্পনা, জানালেন বিডা চেয়ারম্যান ◈ শেষ পর্যন্ত থামেনি উত্তেজনা, ২–২ ড্রয়ে শেষ জাপান-নেদারল্যান্ডস লড়াই ◈ গভীর রাতে টেকনাফে গুলিবর্ষণ, আতঙ্কে নির্ঘুম জুম্মাপাড়ার মানুষ ◈ দিল্লিতে প্রবেশে বাধা প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে, ফয়েজের ফেসবুক স্ট্যাটাস ◈ দেড় লাখ মানু‌ষের দেশ কুরাসাও বিশ্বকাপ খেল‌ছে, জার্মা‌নির বিরু‌দ্ধে গোলও ক‌রে‌ছে ◈ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রকাশিত : ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:১৭ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবশেষে জুবিন গার্গের মৃত্যুর কারণ জানাল সিঙ্গাপুর পুলিশ

জনপ্রিয় গায়ক ও গীতিকার জুবিন গার্গের মৃত্যু হত্যাকাণ্ড নয়, বরং দুর্ঘটনার কারণে হয়েছে বলে সিঙ্গাপুর পুলিশ জানিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গার্গ লাইফ জ্যাকেট পরতে অস্বীকার করেছিলেন, যা তার মৃত্যুর মূল কারণ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। এনডিটিভি

গত বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর, ৫২ বছর বয়সী জুবিন গার্গ একটি ইয়ট পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি নর্থ ইস্ট ইন্ডিয়া ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করার ঠিক একদিন আগে এই দুর্ঘটনার শিকার হন।

কোরোনার কোর্টে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুবিন প্রথমে লাইফ জ্যাকেট পরলেও পরে তা খুলে ফেলেন। দ্বিতীয়বার লাইফ জ্যাকেট দেয়া হলেও তিনি তা পরতে অস্বীকার করেন এবং একা লাজারাস আইল্যান্ডের দিকে সাঁতরাতে শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, তিনি ইয়টের দিকে সাঁতার দেয়ার সময় নিস্তেজ হয়ে ভেসে যাচ্ছিলেন এবং মুখ পানির মধ্যে ছিল। দ্রুত উদ্ধার করা হলে তাকে সিপিআর দেয়া হয়, কিন্তু তিনি সেদিনই মারা যান।

রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, গার্গের রক্তচাপের সমস্যা ছিল এবং তিনি মৃগী রোগেও আক্রান্ত ছিলেন। তবে দুর্ঘটনার দিন তিনি নিয়মিত ওষুধ নিয়েছিলেন কি না, তা স্পষ্ট নয়।

প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা জানান, প্রথমবার সাঁতার শুরু করার সময় জুবিন লাইফ জ্যাকেট খুলে ফেলেছিলেন। পরে ইয়টে ফিরে এসে ক্লান্তি প্রকাশ করলে দ্বিতীয়বার লাইফ জ্যাকেট দেয়া হলেও তিনি তা পরতে অস্বীকার করেন।

অটোপসি রিপোর্টে মৃত্যুর কারণ হিসেবে ‘ড্রাউনিং’ বা ডুবে মৃত্যু উল্লেখ করা হয়েছে। উদ্ধারকালে কিছু আঘাত পাওয়া গেছে, তবে সেগুলো সিপিআর বা উদ্ধার কার্যক্রমের সময় প্রাপ্ত বলে জানা গেছে। রক্তে রক্তচাপ এবং মৃগীর ওষুধের উপস্থিতি ধরা পড়েছে, কিন্তু অন্য কোনো ড্রাগ শনাক্ত হয়নি।

মামলার প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা জানান, ইয়টে প্রায় ২০ জন উপস্থিত ছিলেন, যারা খাবার, পানীয় ও অ্যালকোহল গ্রহণ করেছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জুবিনও অ্যালকোহল পেয়েছিলেন। এক প্রত্যক্ষদর্শী উল্লেখ করেছেন, তিনি কিছু কাপ লিকার, জিন, হুইস্কি এবং কয়েক সিপ গিনেস স্টাউট পান করেছিলেন।

টক্সিকোলজি রিপোর্টে দেখা গেছে,  জুবিনের রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা ৩৩৩ মিলিগ্রাম প্রতি ১০০ মিলিলিটার, যা গুরুতর মাতাল অবস্থার ইঙ্গিত দেয় এবং সমন্বয় ও প্রতিক্রিয়াশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।

ফরেনসিক প্যাথোলজিস্ট জানান, কোনও আক্রমণের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, যেমন চিবানো বা আঘাতের নিদর্শন। তাই বলা যায়, এটি একমাত্র দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়