শিরোনাম
◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বেনজীরকে দেশে ফেরাতে বাংলাদেশকে ৩০ দিনের সময় দিল সংযুক্ত আরব আমিরাত ◈ ডা. জাহেদ ইস্যুতে ভারতীয় ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনারকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব

প্রকাশিত : ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৪৭ রাত
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদে আঘাত হানতে পারে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি

চাঁদের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে একটি বিশাল গ্রহাণু। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করছেন—২০৩২ সালে চাঁদে আঘাত হানতে পারে একটি বিশাল গ্রহাণু, যা পৃথিবীর আকাশেও বিরল প্রাকৃতিক দৃশ্য তৈরি করতে পারে। সংঘর্ষের ফলে চাঁদ থেকে মহাকাশে ছিটকে পড়া ধ্বংসাবশেষ কিছু দিন পর পৃথিবীতে এসে পড়তে পারে, আর তার কারণে খালি চোখে দেখা যাবে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি।

সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ২০২৪ ওয়াইআর৪ নামে এই গ্রহাণুর প্রস্থ আনুমানিক ৬০ মিটার। বিজ্ঞানীদের হিসাব অনুযায়ী, ২০৩২ সালের ২২ ডিসেম্বর চাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষের সম্ভাবনা প্রায় ৪ শতাংশ। যদিও সম্ভাবনা কম, তবে সংঘর্ষ ঘটলে এটি এমন শক্তিশালী হবে যে সারা বিশ্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে।

চাঁদে সংঘর্ষের বৈজ্ঞানিক প্রভাব

চীনের সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানী ইফান হে ও তার সহলেখকদের গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, সংঘর্ষ ঘটলে চাঁদে প্রায় এক কিলোমিটার প্রশস্ত গর্ত তৈরি হতে পারে এবং চাঁদের অভ্যন্তরে প্রায় ৫ মাত্রার ভূকম্পন সৃষ্টি হতে পারে। এতে চাঁদের গঠন ও অভ্যন্তরীণ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে নতুন তথ্য পাওয়া সম্ভব হবে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, সংঘর্ষের শক্তি মাঝারি আকারের তাপ-পরমাণু বিস্ফোরণের সমান হতে পারে। আধুনিক যুগে এটি চাঁদে দেখা সবচেয়ে শক্তিশালী সংঘর্ষ হবে।

পৃথিবীতে সম্ভাব্য উল্কাবৃষ্টি ও ঝুঁকি

সংঘর্ষের ধ্বংসাবশেষ মহাকাশে ছিটকে পড়বে, যার একটি অংশ পৃথিবীতে এসে পড়তে পারে। দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আফ্রিকা ও আরব উপদ্বীপে এটি খালি চোখে দেখা যাবে। সিমুলেশনের হিসাব অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি সময়কালে প্রতি ঘণ্টায় লক্ষ লক্ষ উল্কা বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করতে পারে।

তবে বিপদও কম নয়। পড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের আঘাতে সম্পদের ক্ষতি হতে পারে। বিশেষ করে, স্যাটেলাইটে আঘাত পড়লে ‘কেসলার সিনড্রোম’ নামে পরিচিত শৃঙ্খল প্রতিক্রিয়া শুরু হতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ও নেভিগেশন ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

বিজ্ঞানীদের পরামর্শ ও পরিকল্পনা

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই গ্রহাণুর পাথ পরিবর্তন করে পৃথিবীকে নিরাপদ রাখা হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। সিদ্ধান্ত নিতে হবে—পৃথিবীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বনাম এক অসাধারণ প্রাকৃতিক ঘটনার প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণের সুযোগ।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, এই বিরল ঘটনা ঘটলে চাঁদ, গ্রহাণু এবং মহাকাশের অন্যান্য মহাজাগতিক শক্তি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ সম্ভব হবে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়