শিরোনাম
◈ অর্থনীতিকে গণতন্ত্রায়ণের লক্ষ্যেই এবারের বাজেট: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ ◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা

প্রকাশিত : ০৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:৪৭ রাত
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হরমুজ প্রণালি খোলা, নিশানায় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের জাহাজ: ঘোষণা দিল ইরান

ইরান জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোকে এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক মুখপাত্র রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এই মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, তেহরান পুরো নৌপথ বন্ধ করার বদলে নির্দিষ্ট কিছু দেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচল সীমিত করার নীতি নিচ্ছে।

বিশ্বের তেলের একটি বড় অংশ এই কৌশলগত জলপথ দিয়ে পরিবহন হয়। তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ার পর থেকে এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, কোনো দেশ থেকে সরাসরি হামলা না হলে ভবিষ্যতে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো আর লক্ষ্যবস্তু করা হবে না।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, শুক্রবার (৬ মার্চ) দেশটির অন্তর্বর্তী নেতৃত্ব পরিষদ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। শনিবার দেওয়া এক বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জানান, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রতিবেশী দেশগুলোতে যে হামলা হয়েছে, সেজন্য তিনি দুঃখ প্রকাশও করেন।

যুদ্ধের শুরুতে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) কয়েকটি দেশ ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। এর মধ্যে ছিল সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন ও ওমান। এসব দেশে বা তাদের সীমান্তের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা থাকার কারণেই হামলা চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছে তেহরান। এছাড়া ইরাক, জর্ডান, আজারবাইজান ও তুরস্কেও সংঘাতের প্রভাব পড়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়