শিরোনাম
◈ সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার ◈ বিশ্বের ধনীতমদের একজন, বিলাসবহুল প্রাসাদ নয়, ছোট্ট ঘরেই থাকেন ইলন মাস্ক, কারণ কী? ◈ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ এখন বাংলাদেশ, বিশ্বের সবচেয়ে কম শান্তিপূর্ণ দেশ রাশিয়া ◈ ‘অত্যন্ত শক্তিশালী’ এআই মডেল নিয়ে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র, চ্যাটজিপিটির প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক্লড ফেবল ৫’ স্থগিত, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন! ◈ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে পাবেন পেনশন! ◈ চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিএসএফের ১১ জনের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি ◈ গণমাধ্যম এখন বিজনেস হাউসের প্রতিনিধি হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল ◈ আগামী ১ জুলাই থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন কত? যা জানাগেল ◈ এবার পরিবর্তন হচ্ছে যে উপজেলার নাম ◈ ফজরের নামাজের সময় খুলনায় মসজিদে দুর্বৃত্তদের গুলিতে দুই মুসল্লি গুলিবিদ্ধ

প্রকাশিত : ২৫ মার্চ, ২০২৬, ০৬:২২ বিকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রণক্ষেত্রে ‘গেম-চেঞ্জার’ তুরস্কের লেজার-নিয়ন্ত্রিত নিখুঁত ঘাতক এল-ওএমটিএএস মিসাইলের গণউৎপাদন শুরু

তুরস্কের বিখ্যাত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রকেটসান তাদের অত্যাধুনিক লেজার-চালিত ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের (এল-ওএমটিএএস) ব্যাপক হারে উৎপাদন শুরু করেছে। সম্প্রতি সফলভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর এই ঘোষণা দেওয়া হয়।

২৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে রকেটসান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, তাদের মাঝারি পাল্লার অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল এল-ওএমটিএএস এখন থেকে পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাচ্ছে। ২০২৪ সালের 'সাহা এক্সপো'তে এটি প্রথম প্রদর্শিত হয়েছিল। এটি মূলত তুরস্কের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি একটি শক্তিশালী মারণাস্ত্র, যা দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এল-ওএমটিএএস মিসাইলের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে ট্যাঙ্কের বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর। এটি ৫.৫ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।এতে উচ্চ প্রযুক্তির লেজার গাইডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তু খুঁজে বের করে।

মিসাইলটির ওজন ৩২ কেজি, দৈর্ঘ্য ১.৭৫ মিটার এবং ব্যাস ১৬০ মিলিমিটার।এটি উৎক্ষেপণের আগে লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণ এবং উৎক্ষেপণের পরেও লক্ষ্যবস্তু পরিবর্তনের সুবিধা দেয়।

এল-ওএমটিএএস শুধুমাত্র ট্যাঙ্ক ধ্বংস করতেই নয়, বরং আরও অনেক কাজে ব্যবহার করা যাবে। এটি স্থির এবং চলন্ত ট্যাঙ্ক, সাঁজোয়া যান, কংক্রিটের বাঙ্কার এবং অন্যান্য সুরক্ষিত স্থাপনায় আঘাত করতে পারে।

এই মিসাইলটি ট্রাইপড থেকে শুরু করে বিভিন্ন ল্যান্ড প্ল্যাটফর্ম বা সাঁজোয়া যানের ওপর বসিয়েও চালানো সম্ভব। এতে 'ট্যান্ডেম হাই-এক্সপ্লোসিভ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক, ব্লাস্ট ফ্র্যাগমেন্টেশন এবং থার্মোবারিক ওয়ারহেড ব্যবহারের বিকল্প রয়েছে।

এই মিসাইলটির সিরিয়াল প্রোডাকশন শুরু হওয়া তুরস্কের জন্য একটি কৌশলগত বিজয়। এটি ন্যাটো জোটের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তের নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে। তুরস্ক এখন আর কেবল প্রোটোটাইপ বা পরীক্ষামূলক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই, বরং তারা সরাসরি নিজেদের সেনাবাহিনী এবং আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য উন্নত প্রযুক্তির অস্ত্র তৈরি করছে।

এল-ওএমটিএএস মিসাইলটি আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের জন্য একটি নিখুঁত সমাধান। এটি যেমন সাশ্রয়ী, তেমনি অত্যন্ত ধ্বংসাত্মক। রকেটসানের এই অগ্রগতি তুরস্কের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পকে বিশ্বদরবারে আরও এক ধাপ উঁচুতে নিয়ে গেল।

তথ্যসূত্র: আর্মি রিকগনিশন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়