শিরোনাম
◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ ◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২৬, ০৮:২২ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পর ইসরায়েলেও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ, চাপে নেতানিয়াহু

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরান যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে তেলআবিবের রাস্তায় নামলেন বিক্ষোভকারীরা। অপর দিকে যুক্তরাষ্ট্রেও চলছে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ। একদিকে গাজায় চলমান অভিযান, অন্যদিকে ইরানে যুদ্ধের প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল। ইহুদিবাদীরা রাস্তায় নামায় নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পাড়েছে নেতানিয়াহু সরকার।

শনিবার রাতে হাবিমা স্কোয়ারে আয়োজিত এক বিশাল যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে অন্তত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে ইসরাইলি পুলিশ।

বিক্ষোভের আয়োজক তথা আইনের ছাত্র ইতমার গ্রিনবার্গ। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি জানান, গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের মধ্যে শনিবারের জমায়েতটি ছিল এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড়, যেখানে প্রায় ১২০০ মানুষ সমবেত হয়েছিলেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর প্রথম দিকে মাত্র ২০ জন নিয়ে আন্দোলন শুরু হলেও বর্তমানে সাধারণ মানুষের সমর্থন কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

গ্রিনবার্গের মতে, আগে কেবল ইসরাইলের কট্টর বামপন্থিরাই এই যুদ্ধে বিরোধিতা করতেন, কিন্তু বর্তমানে উদারপন্থি ইহুদিবাদীরাও এই আন্দোলনে শামিল হতে শুরু করেছেন। ইসরাইলি জনমত সাধারণত যুদ্ধের পক্ষে থাকলেও, শনিবারের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণকে এক ব্যতিক্রমী ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

আন্দোলনকারীদের দাবি, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে নয়, বরং অঞ্চলে শান্তি ফেরানোর লক্ষ্যেই এই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। পুলিশের ধরপাকড় সত্ত্বেও তারা আগামী দিনে আরও বড় কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন।

এতদিন ইসরাইলের যুদ্ধপন্থি মনোভাব প্রায় একপাক্ষিক থাকলেও, এখন উদারপন্থি ইহুদিবাদীদের রাস্তায় নামা প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামি নেতানিয়াহু সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যুদ্ধের ব্যয়ভার, রিজার্ভ সেনাদের দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার অনিশ্চয়তা সাধারণ ইসরাইলিদের মধ্যে ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে দিচ্ছে। এই বিক্ষোভ প্রমাণ করে যে, যুদ্ধের প্রশ্নে ইসরাইলি সমাজ এখন আর একক অবস্থানে নেই, যা আগাম নির্বাচনের দাবিকে আরও জোরালো করতে পারে।

বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের ‘সহিংস’ আচরণের অভিযোগ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজর কেড়েছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো সংস্থাগুলো এই গ্রেফতার মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে দেখছে।

সূত্র: সিএনএন ও আলজাজিরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়