শিরোনাম
◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৮ দুপুর
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেও সাগরতীরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা

প্রায় আড়াই বছর ধরে গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসন চলছে। হামলার মুখে সব ধরনের স্কুল কলেজের স্থাপনাও ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে এমন পরিস্থিতিতেও গাজার শিক্ষাব্যবস্থা ধসে পড়েনি। তার নজির মিলল এবার, সাগরতীরে বসে পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

সামাজিক মাধ্যমে সম্প্রতি একটি ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গাজার শিক্ষার্থীরা সমুদ্র সৈকতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। ইসরাইল গাজার শত শত স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করে দেওয়ার পর এই দৃশ্য সবার মনে গভীর ছাপ ফেলেছে।

ভিডিওটির সঙ্গে অনেকে লিখেছেন, ‘গাজার শিক্ষার্থীরা স্কুল-বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস হওয়ার পরও সৈকতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। কে পারবে এই মানুষগুলোর ইচ্ছাশক্তি ভাঙতে?’

আরেকজন লিখেছেন, ‘হানাদাররা স্কুল ভেঙেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা মেরেছে, সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে। কিন্তু ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীর মনোবল ভাঙতে পারেনি এবং পারবেও না।’

এই ভিডিওটির ছবি, জায়গা এবং মানুষ — সবই সত্যি। কিন্তু এটি পুরনো। ভিডিওটি আসলে ২০২৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি গণিত পরীক্ষার সময়ের, জানিয়েছে আল জাজিরা। 

তবে গাজার শিক্ষাব্যবস্থার ওপর ধ্বংসযজ্ঞের বাস্তবতা মোটেও মিথ্যা নয়। রিপোর্ট বলছে, ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ২০৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে। এর মধ্যে ১৯০টি স্কুল এবং ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়। আংশিক ক্ষতি হয়েছে আরও ৩০৫টি প্রতিষ্ঠানের। ইসরাইল ১২,৮০০-রও বেশি শিক্ষার্থী এবং ৭৬০ জনেরও বেশি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীকে হত্যা করেছে। এই যুদ্ধ ৭ লাখ ৮৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীকে পড়াশোনা থেকে বঞ্চিত করেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়