শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ১৪ মে, ২০২৬, ১০:৪৪ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্কুলে হিজাবসহ ধর্মীয় প্রতীক ব্যবহারের অনুমতি দিল কর্ণাটক সরকার

ভারতের কর্ণাটক রাজ্য সরকার ২০২২ সালের বিতর্কিত স্কুল ইউনিফর্ম সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রত্যাহার করে নতুন নীতিমালা জারি করেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, স্কুল-কলেজে শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত ইউনিফর্মের পাশাপাশি সীমিত পরিসরে হিজাব ও পৈতার মতো ঐতিহ্যবাহী ও ধর্মভিত্তিক পোশাক-প্রতীক পরিধান করতে পারবে। 

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২২ সালে কর্ণাটকে হিজাব বিতর্ক তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিল। সে সময় জারি করা নির্দেশনায় ধর্মীয় প্রতীক ছাড়া কঠোরভাবে ইউনিফর্ম মেনে চলার কথা বলা হয়েছিল। নতুন আদেশে সেই নির্দেশনাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে—শিক্ষার্থীরা পাগড়ি, পেটা, জেনেউ, শিবধারা, রুদ্রাক্ষ কিংবা হিজাবের মতো প্রতীক পরতে পারবে। তবে তা যেন শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, পরিচয় শনাক্তকরণ বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে। 

একই সঙ্গে কোনো শিক্ষার্থীকে এসব প্রতীক পরার কারণে শ্রেণিকক্ষ, পরীক্ষা বা শিক্ষাসংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশ নিতে বাধা দেওয়া যাবে না। আবার কাউকে জোর করে এসব প্রতীক পরতে বা খুলতেও বাধ্য করা যাবে না।

তবে জাতীয় ও রাজ্য পর্যায়ের পরীক্ষার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ড্রেস কোড কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা যেন ধর্ম, সংস্কৃতি বা পোশাকের কারণে কোনো শিক্ষার্থীকে হয়রানি বা বৈষম্যের শিকার না করে।

কর্ণাটকের শিক্ষামন্ত্রী মধু বাঙ্গারাপ্পা বলেন, গত বছর এবং চলতি বছরের এপ্রিলেও কিছু শিক্ষার্থীকে ধর্মীয় প্রতীক খুলতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছিল। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা কষ্ট পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ও ভবিষ্যতের পথে এসব বিষয় বাধা হওয়া উচিত নয়। এগুলো মানুষের ধর্মীয় চর্চার অংশ।’

তবে রাজ্যটির বিরোধীদল বিজেপি এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে। বিজেপি বিধায়ক ভরত শেঠি বলেছেন, সরকার নিজেদের ব্যর্থতা আড়াল করতে নতুন বিতর্ক তৈরি করছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা গিরিশ ভারতদ্বাজও বলেন, যদি হিজাব অনুমোদন করা হয়, তবে হিন্দু শিক্ষার্থীদের গেরুয়া শাল পরার সুযোগও দিতে হবে।

কর্ণাটক সরকার জানিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেবল পাঠদানের জায়গা নয়; বরং সমতা, ভ্রাতৃত্ব, ধর্মনিরপেক্ষতা ও পারস্পরিক সম্মানের মতো সাংবিধানিক মূল্যবোধ শেখানোরও ক্ষেত্র।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়