শিরোনাম
◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে" ◈ ধৃষ্টতা সকল সীমা ছাড়িয়েছ’; অভিনেত্রী শাওনকে নিয়ে তাজুল ইসলামের ক্ষোভ ◈ উচ্চ বেতনের চাকরির প্রলোভন, ভালো চাকরির ফাঁদে বিদেশে গিয়ে সাইবার স্ক্যামে বাধ্য, দেশে ফিরলেন ৩৭ বাংলাদেশি ◈ জুনের প্রথম ১০ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার ◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ ◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ

প্রকাশিত : ১৬ মে, ২০২৬, ০৪:১৫ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্কে নতুন মোড়? বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন শেহবাজ ও আসিম মুনির

পাকিস্তান অবজারভার: বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এবং সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির তিন দিনের জন্য বাংলাদেশ সফরে আসতে পারেন। যদিও বিষয়টি পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিয়েছে যে- এ অঞ্চলে বড় ধরনের ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। কয়েক দশকের টানাপড়েনের পর ইসলামাবাদ ও ঢাকার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধানের এই সফর হতে পারে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন পাকিস্তান অবজারভার।

প্রস্তাবিত সফরটি এমন এক সময় হতে পারে, যখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য চীন সফরের কথাও আলোচনায় রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনাগুলোর এই সময়সূচি আঞ্চলিক কূটনৈতিক বার্তা ও বৃহত্তর কৌশলগত হিসাবের অংশ হতে পারে। সফরটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকায় দুই দেশের আলোচনায় বিস্তৃত ও উচ্চাভিলাষী এজেন্ডা উঠে আসতে পারে। বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শিল্প সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধি- সবকিছুই আলোচনায় গুরুত্ব পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও সম্ভাব্য বিতর্কিত বিষয় হচ্ছে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে এই খাতে সম্পর্ক ঐতিহাসিকভাবে সীমিত। এই সহযোগিতা শুধু অবকাঠামো উন্নয়নেই সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে; বরং ড্রোন প্রযুক্তি ও ক্ষেপণাস্ত্র-সংক্রান্ত প্রযুক্তিসহ উন্নত সামরিক ক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহায়তার দিকেও এগোতে পারে। প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতার বাইরে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ের সম্পর্ক আরও গভীর করার সম্ভাবনাও আলোচনায় আছে। এর মধ্যে যৌথ প্রশিক্ষণ, প্রতিরক্ষা কর্মীদের আদান-প্রদান এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমন্বয় বৃদ্ধির মতো বিষয় থাকতে পারে।

তবে এসব বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি এবং সফরের চূড়ান্ত এজেন্ডা প্রকাশ করা হয়নি।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ সম্পর্ক উষ্ণ করার দিকে এগিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে। বিশেষ করে ঢাকায় রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্থানের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন গঠিত হওয়ায় পররাষ্ট্রনীতিতে ভারসাম্য আনার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। দুই দেশই ধীরে ধীরে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাড়িয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ পর্যায়ের সফর, ভ্রমণ সুবিধা বৃদ্ধি, সমুদ্র বাণিজ্য রুট পুনরায় চালু এবং বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার নতুন চুক্তি। অনুবাদ মানবজমিন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়