শিরোনাম
◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস

প্রকাশিত : ০৮ জুন, ২০২৬, ০২:২৭ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নারী-শিশুদের বন্দুকের মুখে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ: এপিডিআর

পশ্চিমবঙ্গের মানবাধিকার সংগঠন
নারী-শিশুদের বন্দুকের মুখে বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে বিএসএফ

বাংলাদেশ সীমান্তে নারী ও শিশুসহ বহু মানুষকে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার অভিযোগ করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মানবাধিকার সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব ডেমোক্র্যাটিক রাইটস (এপিডিআর)।

সংগঠনটির দাবি, বাংলাদেশি সন্দেহে আটক এসব মানুষকে সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ডে ফেলে রাখা হচ্ছে। তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না দেয়ায় অনেকেই খাবার ও পানি ছাড়াই সেখানে মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ আখ্যা দিয়ে ভারতের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতি বাতিলের দাবি জানিয়েছে মানবাধিকার এই সংগঠনটি।


রোববার (৯ জুন) সংগঠনটির সহ-সভাপতি রঞ্জিত শূর এক বিবৃতিতে বলেন, বাংলাদেশি সন্দেহে বহু মানুষকে, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের, বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব ব্যক্তিকে সীমান্তের কাছে নিয়ে গিয়ে বন্দুকের ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) বিষয়টি জানতে পেরে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। ফলে অনেকেই সীমান্তের নো ম্যানস ল্যান্ড বা জিরো লাইনে আটকে পড়ছেন।


এপিডিআরের দাবি, এসব মানুষের মধ্যে গর্ভবতী নারী ও শিশুও রয়েছে। তারা দিনের পর দিন খাবার ও পানি ছাড়া খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই তাদের অবস্থান করতে হচ্ছে।

সংগঠনটির অভিযোগ, নো ম্যানস ল্যান্ডে পাঠানোর পর বিএসএফ তাদের দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। বিএসএফের দাবি, তারা বাংলাদেশি নাগরিক হওয়ায় তাদের দায়িত্ব ভারতের নয়। অন্যদিকে বিজিবির মতে, তারা বাংলাদেশি— এমন কোনও প্রমাণ নেই; বরং তারা ভারতীয় নাগরিক হতে পারেন। ফলে দুই দেশের অবস্থানের কারণে এসব মানুষ চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন বলে দাবি করেছে এপিডিআর।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভারত ও বাংলাদেশের সরকার মিলেই মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ সংঘটিত করছে। এপিডিআরের মতে, ভারতের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ (থ্রি-ডি) নীতি অসাংবিধানিক ও বেআইনি।

সংগঠনটির দাবি, এই নীতি ভারতের সংবিধানের ১৪ ও ২১ নম্বর ধারার পরিপন্থি এবং বর্তমান সংকটের মূল উৎস।

সংগঠনটি অবিলম্বে ভারতের থ্রি-ডি নীতি বাতিল, নো ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থানরত সব মানুষকে ফিরিয়ে নেয়া এবং ‘পুশব্যাক’ নীতি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি এ বিষয়ে জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের (ইউএনএইচআরসি) দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাদের হস্তক্ষেপও কামনা করেছে এপিডিআর। উৎস: চ্যানেল24

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়