শিরোনাম
◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হজের খুতবায় মুসলিমদের ঐক্যের আহ্বান

‘লাব্বায়িক আল্লাহুম্মা লাব্বায়িক’ ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র আরাফার ময়দানে লাখো হাজির উপস্থিতিতে হজের মূল খুতবা প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে খুতবা পাঠ শুরু করেন মসজিদে নববীর ইমাম শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান আল-হুদাইফি।

মক্কার মসজিদে নামিরা থেকে প্রদত্ত এই খুতবায় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে পারস্পরিক ঐক্য, সংহতি এবং ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

খুতবায় হজের আধ্যাত্মিক ও সামাজিক তাৎপর্য তুলে ধরে শায়খ আলী বিন আবদুর রহমান বলেন, হজ হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের মধ্যে পারস্পরিক পরিচয়, সম্প্রীতি এবং সহযোগিতার এক অনন্য প্রতিফলন। মুসলিম উম্মাহকে কঠিন সময়ে ধৈর্য ধারণ করা, ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য প্রদর্শনের ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

জনসমুদ্রের উদ্দেশে ইমাম বলেন, হে মানুষ, আল্লাহকে ভয় করো, কারণ তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমেই বান্দা পরকালে মুক্তি লাভ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, পরকালের শ্রেষ্ঠ প্রস্তুতি হলো একত্ববাদ (তৌহিদ) এবং শুধুমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা। সেই সঙ্গে তিনি হাজিদের সততা বজায় রাখা এবং মিথ্যাচার ও গিবত থেকে দূরে থাকার নসিহত করেন।

এ সময় মুসলিম উম্মাহর সার্বিক অবস্থার উন্নতি এবং হাজিদের ইবাদত কবুল করার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়। শেখ হুদাইফি দোয়া করেন, ‘হে আল্লাহ, হাজিদের দোয়া ও ইবাদত কবুল করুন, তাদের জন্য সবকিছু সহজ করে দিন এবং তাদের নিরাপদে নিজ নিজ দেশে ফেরার তৌফিক দান করুন।’

খুতবা সমাপ্ত হওয়ার পর হাজিরা মসজিদে নামিরায় একত্রে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করেন। এরপর হজের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তারা মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন।

উল্লেখ্য, মসজিদে নামিরা ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এখানেই বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। তথ্যসূত্র: জিও নিউজ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়