শিরোনাম
◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:৫৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে চিয়া সিডসের চেয়েও কার্যকর ইসবগুল, জেনে নিন এর বহুবিধ গুণাগুণ

কয়েক বছর ধরে ট্রেন্ডে রয়েছে চিয়া সিডস। ওজন কমানো থেকে শুরু করে পেট সাফ করার কাজ করে এ সাদা-কালো দানা। চিয়া বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই অপরিহার্য। তবে চিয়া বীজের চেয়েও উপকারী উপাদান রয়েছে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপযোগী। 

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চিয়া বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অপরিহার্য।  তবে শুধু চিয়া সিডস নয়, এর চেয়ে বেশি ফাইবার পাবেন ইসবগুলে। একসময়ে কোষ্ঠকাঠিন্য তাড়াতে অনেকেই রাতে ইসবগুল গুলে খেতেন। কিন্তু বর্তমানে ইসবগুলের জায়গা নিয়েছে চিয়া সিডস। তবে চিয়ার চেয়ে বেশি পুষ্টি পাবেন ইসবগুলেই।

আর ১০০ গ্রাম চিয়া সিডের মধ্যে প্রায় ৩৪ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার রয়েছে। অন্যদিকে ১০০ গ্রাম ইসবগুলের মধ্যে ৭০-৮০ গ্রাম ডায়েটরি ফাইবার পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, চিয়া বীজের ফাইবারের ৮৫-৯০ শতাংশই হলো দ্রবণীয়। অর্থাৎ চিয়া সিডস খেলে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। এর পাশাপাশি ওজনও বাড়ে না। ইসবগুলের ফাইবার অদ্রবণীয়, যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সহায়ক। ইসবগুল মলকে নরম করে এবং পেট সাফ করে দেয়।

সুতরাং ইসবগুলের মধ্যে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় দুই ধরনের ফাইবারই পাওয়া যায়। তাই ইসবগুল খেলেও ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমিয়ে দিতে পারে ইসবগুল। এমনকি  রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে এ উপাদান। আর ইসবগুল খেলে পেট দীর্ঘক্ষণ ভর্তি থাকে। এতে অহেতুক খাবার খাওয়ার ইচ্ছে কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া হজমে সহায়তা করে ইসবগুল। এতে থাকা ফাইবার পাকস্থলীতে একটি সুরক্ষার স্তর তৈরি করে, যা বদহজম প্রতিরোধে সাহায্য করে।

ইসবগুল এক ধরনের প্রিবায়োটিক। তাই অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য এটি বিশেষ উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করা ছাড়াও অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়ায়। দিনে ২-১ চামচ ইসবগুল খেতে পারেন। জল বা দুধে মিশিয়ে ইসবগুল খেলে সবচেয়ে ভালো উপকার মেলে। এ ছাড়া টকদইয়ের সঙ্গেও ইসবগুল মিশিয়ে খাওয়া যায়। তবে ইসবগুলের সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি খাওয়া ভালো। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে ইসবগুল খেতে পারেন।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়