শিরোনাম
◈ দক্ষিণ আফ্রিকায় ঢুকতে গিয়ে বিপাকে ৯ বাংলাদেশি, মিলল ভুয়া পাসপোর্ট-ভিসার প্রমাণ ◈ বিশ্বকাপে দ‌ক্ষিণ কো‌রিয়ার দারুণ সূচনা ◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ ◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শীতকালে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা

ইসবগুলের ভুসির স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা কম-বেশি সবার জানা। প্রতিদিন এক টেবিল চামচ করে ইসবগুল পানিতে মিশিয়ে খেলে অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, শীতকালে ইসবগুলের ভুসি খেলে শরীরে কী ঘটে? এটি কি শীতের জন্য উপকারি? চলুন বিস্তারিত জেনে নিই- 

শীতে পানির পিপাসা কম লাগে। তাই শীতের শুরু ও শেষের দিকে বেশি ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। বেড়ে যায় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। আর এই সমস্যা এড়াতে দারুণ কার্যকরী ইসবগুলের ভুসি। শীতে এটি খেলে কী কী উপকার হয়? 

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: 
সকালে খালি পেটে কিংবা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পানিতে ভিজিয়ে ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। চাইলে পানিতে সামান্য চিনি বা মিসরি মেশাতে পারেন। দুধের সাথেও এটি খেতে পারেন। শীতকালে কোষ্ঠকাঠিন্য বাড়ে, সেই সমস্যা কমাতে ইসবগুল সাহায্য করে। পাইলস রোগীদের সারাবছর ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। 

ডায়রিয়া প্রতিরোধ: 
শীতে অনেকেই ডায়রিয়ায় ভুগেন। এই সমস্যা থেকে বাঁচার দারুণ টনিক হলো ইসবগুলের ভুসি ও দই। এ দুটো উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে ডায়রিয়া থেকে মুক্তি মিলবে সহজেই।

ওজন কমায়: 
ইসবগুলের ভুসিতে আছে ফাইবার, ফলে হজম প্রক্রিয়া অনেক ধীরগতিতে হয়। ফলে ক্ষুধা লাগে অনেক কম। তাই ইসবগুল খেলে ওজন কমানো অনেক সহজ হয়ে যায়।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ: 
ইসবগুলের ভুসিতে আছে জিলাটিন নামের একটি উপাদান; যা দেহে গ্লুকোজের শোষণ ও ভাঙার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে, রক্তে সহজে সুগারের পরিমাণ বাড়তে পারে না। অর্থাৎ ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি সাহায্য করে। 

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: 
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ইসবগুলের শরবত খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি টাইপ ২ ডায়াবেটিস রোগীর জন্যও ইসবগুলের শরবত দারুণ পথ্য হিসেবে বিবেচিত।

রক্তে কোলেস্টেরল কমায়: 
ইসবগুলের ভুসি খেলে আমাদের অন্ত্রে এক ধরনের স্তর তৈরি হয়। যা কোলেস্টেরল শোষণে বাধা দেয়। ফলে, আমাদের রক্তে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। তাই, হৃদরোগীদের জন্য এটি দারুণ একটি খাদ্য। সূত্র: ঢাকা মেইল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়