শিরোনাম
◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস

প্রকাশিত : ০৭ জুন, ২০২৬, ১২:৪৩ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পড়াশোনার ফাঁকে ‘পার্ট-টাইম’ কিছু খুঁজছেন? দেখতে পারেন এই কাজগুলো

পড়াশোনার খরচ চালানো, পরিবারকে সহায়তা করা কিংবা ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগেই নিজেকে চাকরির বাজারের উপযোগী করে তোলার চিন্তা এখন অনেক তরুণের। প্রচলিত টিউশনি নির্ভরতার বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা খুঁজছেন বৈচিত্র্যময় ও দক্ষতাভিত্তিক খণ্ডকালীন কাজ।

২০২৬ সালের ডিজিটাল ও করপোরেট বাস্তবতায় পড়াশোনা ঠিক রেখেও আয় ও কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, পার্ট-টাইম কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একাডেমিক সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন করাই শিক্ষার্থীর প্রধান লক্ষ্য—এ বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

নিচে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনাময় কয়েকটি পার্ট-টাইম কাজের ধরন তুলে ধরা হলো।

কনটেন্ট রাইটিং ও কপিরাইটিং: বাংলা ও ইংরেজিতে লেখার দক্ষতা থাকলে অনলাইন পোর্টাল, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও স্টার্ট-আপগুলোতে পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ রয়েছে। ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশন লেখা, ওয়েবসাইটের ব্লগ বা পণ্যের বিবরণ তৈরি—এ ধরনের কাজ ঘরে বসেই করা যায়। দক্ষতার ওপর নির্ভর করে মাসে প্রায় ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বড় ব্র্যান্ড—সবারই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনায় জনবল প্রয়োজন। পেজ ম্যানেজমেন্ট, পোস্ট শিডিউল, গ্রাহকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া—এসব কাজ নির্দিষ্ট সময় ধরে করা যায়। সাধারণত মাসে ৬ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ: টেলিকম, রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও আইটি খাতে পার্ট-টাইম কাস্টমার কেয়ার বা কল সেন্টার এজেন্ট হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফোন বা লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করতে হয়। সন্ধ্যা বা রাতের শিফট থাকায় দিনের বেলা ক্লাস করার সুযোগ থাকে। আয় সাধারণত ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকার মধ্যে।

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট (অন-ক্যাম্পাস ও অফ-ক্যাম্পাস)
বাণিজ্য মেলা, বইমেলা, করপোরেট সেমিনার, কনসার্ট বা ব্র্যান্ড প্রমোশনে স্বল্পমেয়াদি জনবল প্রয়োজন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়েও অন-ক্যাম্পাস পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ থাকে। সাধারণত ৩ দিন থেকে ১ মাসের চুক্তিভিত্তিক কাজ। প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং: ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা বাড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং জানলেও কাজ পাওয়া সম্ভব। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার, শর্ট ভিডিও এডিট, প্রেজেন্টেশন তৈরি—এসব স্কিলভিত্তিক কাজের জন্য দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে দূর থেকে কাজ করা যায়। মাসে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা বা তার বেশি আয় করা সম্ভব, প্রজেক্টের ওপর নির্ভর করে।

পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ খুঁজতে বিডিজবসের পার্ট-টাইম বিভাগ, লিঙ্কডইন, ফেসবুকভিত্তিক ক্যারিয়ার গ্রুপ ও বিভিন্ন ইন্টার্নশিপ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে।

ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিগ্রি শেষে একেবারে নতুন হিসেবে চাকরির বাজারে প্রবেশের চেয়ে পার্ট-টাইম কাজের অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকেন। এতে আয় যেমন হয়, তেমনি করপোরেট সংস্কৃতি, সময় ব্যবস্থাপনা ও পেশাদার দক্ষতার বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়।


পড়াশোনার খরচ চালানো, পরিবারকে সহায়তা করা কিংবা ডিগ্রি শেষ হওয়ার আগেই নিজেকে চাকরির বাজারের উপযোগী করে তোলার চিন্তা এখন অনেক তরুণের। প্রচলিত টিউশনি নির্ভরতার বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীরা খুঁজছেন বৈচিত্র্যময় ও দক্ষতাভিত্তিক খণ্ডকালীন কাজ।

২০২৬ সালের ডিজিটাল ও করপোরেট বাস্তবতায় পড়াশোনা ঠিক রেখেও আয় ও কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, পার্ট-টাইম কাজ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে একাডেমিক সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখা জরুরি। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা সম্পন্ন করাই শিক্ষার্থীর প্রধান লক্ষ্য—এ বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।

নিচে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাবনাময় কয়েকটি পার্ট-টাইম কাজের ধরন তুলে ধরা হলো।

কনটেন্ট রাইটিং ও কপিরাইটিং: বাংলা ও ইংরেজিতে লেখার দক্ষতা থাকলে অনলাইন পোর্টাল, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞাপনী সংস্থা ও স্টার্ট-আপগুলোতে পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ রয়েছে। ফেসবুক পোস্টের ক্যাপশন লেখা, ওয়েবসাইটের ব্লগ বা পণ্যের বিবরণ তৈরি—এ ধরনের কাজ ঘরে বসেই করা যায়। দক্ষতার ওপর নির্ভর করে মাসে প্রায় ৮ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় সম্ভব।

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট: ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা থেকে বড় ব্র্যান্ড—সবারই এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনায় জনবল প্রয়োজন। পেজ ম্যানেজমেন্ট, পোস্ট শিডিউল, গ্রাহকের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া—এসব কাজ নির্দিষ্ট সময় ধরে করা যায়। সাধারণত মাসে ৬ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ: টেলিকম, রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি ও আইটি খাতে পার্ট-টাইম কাস্টমার কেয়ার বা কল সেন্টার এজেন্ট হিসেবে শিক্ষার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। ফোন বা লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে গ্রাহকের সমস্যার সমাধান করতে হয়। সন্ধ্যা বা রাতের শিফট থাকায় দিনের বেলা ক্লাস করার সুযোগ থাকে। আয় সাধারণত ১০ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকার মধ্যে।

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট (অন-ক্যাম্পাস ও অফ-ক্যাম্পাস)
বাণিজ্য মেলা, বইমেলা, করপোরেট সেমিনার, কনসার্ট বা ব্র্যান্ড প্রমোশনে স্বল্পমেয়াদি জনবল প্রয়োজন হয়। বিশ্ববিদ্যালয়েও অন-ক্যাম্পাস পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ থাকে। সাধারণত ৩ দিন থেকে ১ মাসের চুক্তিভিত্তিক কাজ। প্রতিদিন ১ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক পাওয়া যায়।

গ্রাফিক্স ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং: ডিজিটাল কনটেন্টের চাহিদা বাড়ায় প্রাথমিক পর্যায়ের ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং জানলেও কাজ পাওয়া সম্ভব। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যানার, শর্ট ভিডিও এডিট, প্রেজেন্টেশন তৈরি—এসব স্কিলভিত্তিক কাজের জন্য দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে দূর থেকে কাজ করা যায়। মাসে ১০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা বা তার বেশি আয় করা সম্ভব, প্রজেক্টের ওপর নির্ভর করে।

পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ খুঁজতে বিডিজবসের পার্ট-টাইম বিভাগ, লিঙ্কডইন, ফেসবুকভিত্তিক ক্যারিয়ার গ্রুপ ও বিভিন্ন ইন্টার্নশিপ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে।

ক্যারিয়ার বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিগ্রি শেষে একেবারে নতুন হিসেবে চাকরির বাজারে প্রবেশের চেয়ে পার্ট-টাইম কাজের অভিজ্ঞতা থাকা প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে এগিয়ে থাকেন। এতে আয় যেমন হয়, তেমনি করপোরেট সংস্কৃতি, সময় ব্যবস্থাপনা ও পেশাদার দক্ষতার বাস্তব অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়