শিরোনাম
◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:২৬ সকাল
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘মাস্টারশেফ ইউকে’তে পিয়াজু-মুড়ি দিয়ে বিচারকদের মন জয়, কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশি সাবিনা

সাবিনার তৈরি করা ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি হালকা নাস্তা ‘মুরি’ এবং ‘পিয়াজু’ বিচারকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার তৈরি পিয়াজু খেয়ে অভিভূত বিচারকরা এর নামকরণ করেছেন ‘বুলটস অফ জয়’।

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় রান্নাবিষয়ক রিয়েলিটি শো 'মাস্টারশেফ ইউকে'-তে নিজের রন্ধনশৈলীর জাদুতে বিচারকদের মুগ্ধ করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রতিযোগী সাবিনা খান। রান্নায় স্বাদের চমৎকার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে প্রতিযোগিতার ২২তম আসরে ইতোমধ্যেই নিজের জায়গা করে নিয়েছেন কোয়ার্টার ফাইনালে। খবর বিবিসি'র।  

সাবিনার তৈরি করা ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি হালকা নাস্তা 'মুরি' এবং 'পিয়াজু' বিচারকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। তার তৈরি পিয়াজু খেয়ে অভিভূত বিচারকরা এর নামকরণ করেছেন 'বুলটস অফ জয়'।

লন্ডনভিত্তিক পরিবেশ উপদেষ্টা হিসেবে কর্মরত সাবিনা খান তার রান্নার অনুপ্রেরণা পেয়েছেন ঢাকার গুলশানে কাটানো শৈশব এবং তার পারিবারিক ঐতিহ্য থেকে। বর্তমানে তিনি স্বামী আসিফ এবং দুই কিশোর সন্তানকে নিয়ে গ্রেটার লন্ডনে বসবাস করছেন।

নিজের রান্নাঘরকে সাবিনা 'স্বাদের পরীক্ষাগার' হিসেবে অভিহিত করেন। রান্নার প্রতি গভীর কৌতূহল এবং নিত্যনতুন পরীক্ষার মানসিকতা থেকেই তার এই নামকরণ। সাফল্য বা ব্যর্থতা—উভয় থেকেই শেখার মানসিকতা নিয়ে তিনি তার বাংলাদেশি ও পাকিস্তানি ঐতিহ্যের সংমিশ্রণে রান্না করেন। শৈশবে দেখা বিভিন্ন মশলা, রান্নার কৌশল এবং স্বাদের স্মৃতি তার রান্নায় ফুটে ওঠে। তবে সাবিনা একে 'ফিউশন' বলতে নারাজ; তার প্রধান লক্ষ্য থাকে খাবারের প্রকৃত স্বাদ অক্ষুণ্ণ রাখা।

সাবিনার মতে, বিভিন্ন অঞ্চলের রন্ধনশৈলী একটি থালায় পাশাপাশি থাকতে পারে, যেখানে প্রতিটি পদের নিজস্ব পরিচয় বজায় থাকবে। খাবারের মূল উপাদান হারিয়ে ফেলে এমন কোনো মিশ্রণ তিনি পছন্দ করেন না। তার রান্নায় কাঁচামরিচের ঝাল, সরিষা বাটার ঝাঁজ কিংবা পাঁচফোড়নের সুনিপুণ ব্যবহার প্রাধান্য পায়।

এ বছর মাস্টারশেফ ইউকে-র ২২তম আসরটি বিবিসি ওয়ান এবং আইপ্লেয়ারে সম্প্রচারিত হচ্ছে। প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে বিভিন্ন পেশার ছয়জন প্রতিযোগী অংশ নেন, যাদের মধ্যে ছিলেন একজন আইটি শিক্ষক, একটি নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের এমডি এবং একজন আর্থিক উপদেষ্টা।

মাস্টারশেফের মঞ্চে সাবিনা খানের এই জয়যাত্রা বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশি খাবারের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তাকে আরও একবার অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেল। তার এই সাফল্য এখন প্রবাসী বাংলাদেশি ও ভোজনরসিকদের গর্বের বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়