শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে ঘাটতি অর্থায়নের নতুন কৌশল: ব্যাংক নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনীতিতে গতি আনার উদ্যোগ ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা ◈ জুলাইয়ে সমাহিত হবেন খামেনি, ঘোষণা ইরানের ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধে ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা আমিরাতের? ১০-২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের তথ্য প্রকাশ করল রয়টার্স ◈ ‘দেশের মালিক ২০ কোটি মানুষ, কোনো দল বা পরিবার নয়, জনগণের সমর্থন নিয়েই দেশের ভাগ্য বদলাবে বিএনপি’

প্রকাশিত : ১১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ত্রয়োদশ নির্বাচনের ব্যালট ছাপাতে কেপিএম থেকে ৯১৫ মেট্রিক টন কাগজ কিনছে ইসি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট ছাপাতে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত বিসিআইসির কাগজ উৎপাদনকারী রাষ্ট্রয়ত্ত্ব কাগজ তৈরি প্রতিষ্ঠান চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড (কেপিএম) থেকে ৯১৫ মেট্রিক টন কাগজ কিনছে নির্বাচন কমিশন। যার বাজার মূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা।

ইতোমধ্যে ১৭৮ মেট্রিক টন কাগজ সরবরাহ হয়েছে। বাকি ৭৩৭ মেট্রিক টন কাগজ ধাপে ধাপে উৎপাদন করে ২০২৬ সালের জানুয়ারির মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কেপিএম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ বলেন, চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে নির্বাচন কমিশন থেকে রঙ্গিন (সবুজ, গোলাপী, এজুরলেইড) ও বাদামি সালফেট কাগজ মিলে সর্বমোট ৯১৫ মেট্রিক টন কাগজের অর্ডার পাওয়া গেছে। যথাসময়ের মধ্যে অর্ডারকৃত কাগজ সরবরাহ করা হবে।

সরকারি নির্বাচন কমিশন ছাড়াও বাংলাদেশ স্টেশনারি অফিস (বিএসও), বিভিন্ন বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়, কিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে ইতোমধ্যে প্রায় ২ হাজার ৮৯৪ মেট্রিক টন কাগজের সরবরাহ আদেশ পাওয়া গেছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৭.৩৩ কোটি টাকা।

কেপিএম’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে কেপিএমের কাগজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয় ৩ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন। এ কাগজের মূল্যমান প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ কোটি টাকা। চলতি বছরের ৯ অক্টোবর পর্যন্ত ১০৯৩ মেট্রিক টন কাগজ উৎপাদিত হয়েছে। বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চলমান রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৯৫৩ সালে ৬৮ একর জায়গার ওপর কারখানা এবং ৪৩১ একর আবাসিক জায়গা নিয়ে উপমহাদেশের বৃহত্তম কাগজ কল হিসেবে দেশে প্রথম যাত্রা শুরু করে কর্ণফুলী পেপার মিল। ৭০ বছরের পুরানো এই প্রতিষ্ঠানটি বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে। তবে অব্যাহত রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কাগজ উৎপাদন। আগামীতে সরকারের সহযোগিতা পেলে এবং প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়ন করা সম্ভব হলে আবারও পুরনো জৌলুস ফিরে পাবে কর্ণফুলী পেপার মিলস এমনটা প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

সূত্র: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়