শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০২:১৫ রাত
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ-ফ্রান্স সম্পর্কে ‘নতুন সূচনা’র ইঙ্গিত, বিনিয়োগে সমান সুযোগের কথা রাষ্ট্রদূতের

বাংলাদেশে ইউরোপীয় ও ফরাসি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক প্রসারে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ বা সমান সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লেট। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বিদেশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ বা ব্যবসা নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সমান সুযোগ প্রাপ্তিকে প্রধান শর্ত হিসেবে দেখে।

সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লেট বলেন, ফরাসি ও ইউরোপীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি প্রতিযোগিতামূলক ও সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। যেহেতু এগুলো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, তাই তাদের আসার সিদ্ধান্তটি মূলত নির্ভর করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের ওপর। যদি এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে যথাযথভাবে আকৃষ্ট করা যায় এবং তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করা হয়, তবেই তারা এ দেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে।

বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও জানান, ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া শুরুর দিকের দেশগুলোর একটি। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, বিশেষ করে জাতিসংঘের ক্ষেত্রে দুই দেশ একত্রে কাজ করার আকাঙ্ক্ষা রাখে। সাক্ষাৎকারে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের একটি ‘নতুন সূচনা’র প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সহযোগিতা গড়ে তুলতে চায় এবং ফ্রান্সও একই দর্শনে বিশ্বাসী। সামনের দিনগুলোতে দুই দেশের মধ্যে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও ব্যবসার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। আলোচনার অন্যান্য প্রসঙ্গের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং নারীর ক্ষমতায়ন গুরুত্ব পেয়েছে।

রাষ্ট্রদূত জানান, ফরাসি কূটনীতির অন্যতম অগ্রাধিকার হলো ‘নারীবাদী পররাষ্ট্রনীতি’, যা নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আরও নিবিড়ভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দুই দেশের শিল্পী ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনিময় কর্মসূচি বৃদ্ধির বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

এয়ারবাস থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি নিয়েও নিজের রাজধানীর বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন জ্যাঁ-মার্ক সেরে-শার্লেট। তিনি এয়ারবাসকে একটি উন্নত মানের প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করে আশা প্রকাশ করেন যে, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ বিমান বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। যদিও এটি বৈঠকের মূল বিষয় ছিল না, তবে এ সংক্রান্ত আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে।

রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এই বৈঠকের পর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশের সকল দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় বন্ধুদের সঙ্গেই বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। তবে সব দেশের সঙ্গেই সম্পর্কের মূল ভিত্তি হবে ‘বাংলাদেশ প্রথম’ নীতি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়