শিরোনাম
◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০১:১৫ রাত
আপডেট : ০৭ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডিজিএফআই ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না: আদালতে মামুন খালেদের দাবি

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো রাজনৈতিক আসমিকে ছাড়া হতো না বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন সংস্থাটির সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদ। মিরপুরে দেলোয়ার হোসেন হত্যা মামলার রিমান্ড শুনানিতে তিনি এই সরল স্বীকারোক্তি দেন। 

তার এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের অভিযোগের সত্যতা উঠে এসেছে বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। শুধু তাই নয়, মামুন খালেদ ডিজিএফআইকে রাজনীতিকরণের অন্যতম কুশীলবও। 

বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে রিমান্ড শুনানি হয়। শুনানি শেষে বিচারক পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রিমান্ড শুনানিতে আদালতের অনুমতি নিয়ে মামুন খালেদ বলেন, ‘আমি ২০০৭ সালে ডিজিএফআই-এর জেএসএস (সিগনাল ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো) ফোর্সেসে যোগদান করি। যেখানে কমিউনিকেশন সংক্রান্ত দায়িত্বে ছিলাম। দায়িত্ব পালনের সময় বিভিন্ন মামলায় বেইল সংক্রান্ত বিষয়ে কাজ করেছি। সেসময় বিচারকদের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোনে যোগাযোগ করে ক্লিয়ারেন্স দেওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমাদের ক্লিয়ারেন্স ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত কার্যকর হতো না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর (তারেক রহমান) মামলায়ও বেইল (জামিন) সংক্রান্ত কাজ করেছি।’

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক কফিল উদ্দিন রিমান্ড আবেদনে বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দেলোয়ার হোসেন (৪০) নিহত হওয়ার ঘটনায় গ্রেফতার সাবেক ডিজিএফআইপ্রধান শেখ মামুন খালেদের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে। মামলার তদন্ত, অন্য আসামিদের শনাক্তকরণ এবং ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধারের জন্য তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।’

এর আগে বুধবার রাতে রাজধানীর মিরপুরের ডিওএইচএস-এর বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে মিরপুর-১০ নম্বর ফলপট্টি এলাকায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার ওপর এজাহারভুক্ত আসামিসহ ৫০০-৭০০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা চালায়। তারা বিভিন্ন দিক থেকে গুলি ছোড়ে। এতে দেলোয়ার হোসেন গুলিবিদ্ধ হন।

প্রথমে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে এবং পরে শ্যামলীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২১ জুলাই সকালে তার মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় নিহত দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী মোছা. লিজা ২০২৫ সালের ৬ জুলাই মিরপুর থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়