শিরোনাম
◈ আদ্-দ্বীনের হাসপাতাল নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স: দাবি আইনজীবী শিশির মনিরের ◈ স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস ও হামে শিশুমৃত্যুর জন্য ড. ইউনূসের বিচার চাইলেন শেখ হাসিনা ◈ ‌বিশ্বকা‌পে ব্রাজিল বনাম মর‌ক্কো ম্যাচের রেফা‌রি দেহব্যবসায় জড়িত মামলার আসা‌মি স্লাভকো ভিনচিচ ◈ আ‌মে‌রিকার বিরু‌দ্ধে যুদ্ধ ব‌ন্ধে ইরান এখন পর্যন্ত চুক্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়‌নি ◈ ফুটবল বিশ্বকাপের মধ্যেই আজ থে‌কে শুরু হ‌চ্ছে আরো এক বিশ্বকাপ ◈ দিদি আমার পাশে ছিলেন, আমিও তার পাশেই থাকব, কখনোই দিদিকে ছেড়ে যাব না: মমতার পাশে শত্রুঘ্ন সিনহা ◈ আগামী বছর ৪ অ‌ক্টোবর শুরু হ‌বে ওয়ানডে বিশ্বকাপ, আ‌য়োজ‌নে দ.আ‌ফ্রিকা, জিম্বাবু‌য়ে ও না‌মি‌বিয়া ◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৫৮ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করতে শিশুর অঙ্গহানি, কঠোর শাস্তি দিল আদালত

রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ৭ বছরের এক শিশুকে অঙ্গহানি করে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার দায়ে ৩ জনকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২ জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিউর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো- সালাহউদ্দিন, মো. শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান মিয়া ও খন্দকার ওমর ফারুক। বয়স বিবেচনায় ১০ বছর করে কারাদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলো, মো. রমজান ও সাদ্দাম। এ মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় কাউসার ও নাজমা আক্তার নামের দুই আসামিকে খালাস দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া প্রত্যেক দণ্ডিতকে ৫ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেয়া হয়েছে। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে জরিমানার টাকা ভুক্তভোগী পরিবারকে হস্তান্তর করতে ঢাকা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও খন্দকার ওমর ফারুক কারাগারে আছে। তবে পলাতক সালাহউদ্দিন, রমজান ও সাদ্দামের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১০ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর মো. উমেদ আলীর ৭ বছর বয়সী ছেলে নিয়ামুল বাড়ির বাইরে খেলতে যায়। সে সময় আসামিরা তাকে কামরাঙ্গীরচর থানার পাকাপুল রোডের বেড়িবাঁধ সংলগ্ন পরিত্যক্ত একটি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে লিঙ্গ কেটে ফেলা হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে জখম করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে আহত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার কামরাঙ্গীরচর থানায় মামলা করে।

তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৫ই মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র?্যাব-১ এর সহকারী পরিচালক এএসপি মোহাম্মদ আব্দুল বাতেন আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটির বিচারকালে ২০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়