শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৪:৩৭ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

বার কাউন্সিল নির্বাচন : পেছানো হয়েছে আইনজীবীদের অনুরোধে: সংসদে আইনমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম  : বাংলাদেশ বার কাউন্সিল একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং এর অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্তে সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান। বিভিন্ন বার অ্যাসোসিয়েশনের অনুরোধ এবং আসন্ন ঢাকা বার নির্বাচনের কারণে বার কাউন্সিলের নির্বাচন পেছানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার   সংসদ অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক পয়েন্ট অব অর্ডারের জবাবে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেন তার বক্তব্যে বার কাউন্সিলের নির্বাচন বন্ধের কারণ হিসেবে বিদ্যুৎ সংকট বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না—এমন প্রশ্ন তোলেন। এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, মাননীয় সদস্য দুইটি বিষয়ের কথা বলেছেন—প্যান্ডেমিক এবং অ্যাক্ট অব গড। কিন্তু আইনের মধ্যে থাকা 'অন্য যেকোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ' (For any other reasonable cause) অংশটি উনি এড়িয়ে গেছেন। উনি সব বুঝেন, কিন্তু যতটুকু ওনার প্রয়োজন ততটুকুই আনেন।

মন্ত্রী জানান, বার কাউন্সিল একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে নিজস্ব স্বাধীনতায় সিদ্ধান্ত নেয়। ঢাকা বারসহ বেশ কয়েকটি বার অ্যাসোসিয়েশন থেকে বার কাউন্সিলের কাছে অনুরোধ এসেছে। ঢাকা বার এশিয়ার বৃহত্তম বার, যেখানে ২২ হাজারের বেশি আইনজীবী আছেন। তাদের নিজস্ব নির্বাচন প্রক্রিয়া সামনে রেখে তারা এই নির্বাচনটি পেছানোর অনুরোধ করেছিলেন। বার কাউন্সিল তাদের সেই অনুরোধ রক্ষা করেছে মাত্র।

জ্বালানি সংকট বা রাজনৈতিক কারণে নির্বাচন পেছানো হয়েছে এমন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণ করার পরেই বার কাউন্সিল নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা চাই একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন হোক। বার কাউন্সিল স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এখানে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো হস্তক্ষেপ করা হয়নি। আইনজীবীদের দাবি এবং নির্বাচনের পরিবেশ নির্ঝঞ্ঝাট রাখতেই বার কাউন্সিল তাদের মেধা ও প্রজ্ঞা খাটিয়ে এই সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়