শিরোনাম
◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ১১:৪৬ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উপবৃত্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে সরকারের নতুন নির্দেশনা

৬ষ্ঠ ও একাদশ শ্রেণির উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংগ্রহ ও প্রেরণ নিয়ে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বাবা-মায়ের মৃত্যু কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে যেসব শিক্ষার্থীর অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না, তাদের আলাদা করে চিহ্নিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক তথ্য আগামী বৃহস্পতিবারের (৭ মে) মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।

রোববার (৩ মে) প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

চিঠিতে বলা হয়, ট্রাস্টের আওতায় বাস্তবায়নাধীন সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় ৬ষ্ঠ, একাদশ ও সমমান শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদানের লক্ষ্যে এইচএসপি-এমআইএস সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রি কার্যক্রম চলছে।

তবে কিছু শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে বাবা বা মায়ের মৃত্যু, উভয়ের মৃত্যু কিংবা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে সংশ্লিষ্ট এনআইডি নম্বর প্রদান সম্ভব হচ্ছে না।

এ অবস্থায়, যেসব শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শুধু বাবা জীবিত, শুধু মা জীবিত, কেউই জীবিত নেই অথবা বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে বাবা-মায়ের এনআইডি দেওয়া যাচ্ছে না—তাদের আলাদা করে তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে উপজেলা অথবা থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক এসব শিক্ষার্থীর তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত ছকে শ্রেণি, প্রতিষ্ঠানের নাম, শিক্ষার্থীর সংখ্যা, বাবা-মায়ের মৃত্যুজনিত কারণে এনআইডি না থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং বিবাহ বিচ্ছেদের কারণে এনআইডি না থাকা শিক্ষার্থীর সংখ্যা উল্লেখ করতে হবে।

এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন নম্বরও দিতে হবে। চিঠিতে আরও বলা হয়, এই তথ্য আগামী ৭ মে তারিখের মধ্যে পাঠাতে হবে এবং বিষয়টি ‘অতি জরুরি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়