শিরোনাম
◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল ◈ প্রশ্ন ছাড়াই কালো টাকা সাদা করার সুযোগ, আসছে নতুন বিধান

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ০৬:৩৯ বিকাল
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সব টার্মিনাল চালু হলে ২০২৯ সালে সিঙ্গাপুর-কলম্বোর মতো হবে চট্টগ্রাম বন্দর

চট্টগ্রাম বন্দরের সব পরিকল্পিত কনটেইনার টার্মিনাল চালু হলে ২০৩০ সালের মধ্যে বন্দরের সামগ্রিক জট পুরোপুরি নিরসন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, পতেঙ্গা, লালদিয়া এবং বে টার্মিনালের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা গেলে ২০২৯ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর মতো দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত হবে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে নৌমন্ত্রী এ তথ্য জানান। 

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, সিঙ্গাপুর ও কলম্বো মূলত ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দর। সেখানে বড় জাহাজ থেকে কনটেইনার নামিয়ে ছোট জাহাজে স্থানান্তর করা হয়। ফলে কাস্টমস পরীক্ষা বা ক্লিয়ারেন্সের প্রয়োজন হয় না।

অন্যদিকে চট্টগ্রাম বন্দর একটি ফিডার পোর্ট হওয়ায় এখানে আমদানি-রপ্তানিসংশ্লিষ্ট কনটেইনারের কাস্টমস পরীক্ষা ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এ কারণেই ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের তুলনায় টার্নঅ্যারাউন্ড টাইম বেশি।

তবে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন ও ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের ফলে পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে বলে জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুনে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল চালুর পর বন্দরে জাহাজের গড় অপেক্ষমাণ সময় প্রায় শূন্যে নেমে এসেছে।

আগে গভীর সমুদ্রে জাহাজকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হলেও বর্তমানে সে পরিস্থিতি নেই। বর্তমানে একটি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ে গড়ে প্রায় ২ দশমিক এক দিন সময় লাগে। পরিকল্পিত সব টার্মিনাল চালু হলে ২০২৯ সালের মধ্যে এ সময় কমে অর্ধদিনে নেমে আসবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে নৌপরিবহনমন্ত্রী বলেন, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল ইতিমধ্যে বিদেশি অপারেটরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। লালদিয়া টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি চলছে।

বে টার্মিনাল-২ বাস্তবায়নে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে বে টার্মিনাল-৩ বাংলাদেশ সরকার ও বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি নতুন বে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। চট্টগ্রামের সম্ভাবনাময় সব কনটেইনার টার্মিনাল চালু করতে পারলে ২০২৯ সালের মধ্যে সেগুলো পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে। তখন সিঙ্গাপুর ও কলম্বোর মতো দ্রুত ও মানসম্মত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে।

আলোচনার একপর্যায়ে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম তথ্য সংশোধন করে বলেন, পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা করছে সৌদি আরবভিত্তিক রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল, পোর্ট অব সিঙ্গাপুর নয়। পরে মন্ত্রী জানান, তিনি ওই সৌদি কম্পানির কথাই উল্লেখ করেছিলেন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়