শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০২৫, ০৯:০৫ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অগ্রণী ব্যাংকের লকারে পাওয়া সোনা শুধু শেখ হাসিনার নয়, পরিবারের সদস্যদের নামেও: দুদক

অগ্রণী ব্যাংকের দুটি লকার খুলে যে ৮৩২ ভরি (৯ হাজার ৭০৭ দশমিক ১৬ গ্রাম) সোনা পাওয়া গেছে, সেগুলো ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একার নয়। শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর বোন শেখ রেহানা, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদসহ পরিবারের সদস্যদের নামে ওই সব সোনা জমা রাখা হয়েছিল নথিপত্র পর্যালোচনায় দেখা গেছে। এসব সোনার মধ্যে স্বর্ণালংকারের পাশাপাশি সোনার নৌকা ও হরিণ রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক আক্তার হোসেন আজ বুধবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন। শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা এসব সোনা বৈধ না অবৈধ, সেটা যাচাই-বাছাই করা শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাজধানীর মতিঝিলে অগ্রণী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় শেখ হাসিনার নামে থাকা দুটি লকার খুলে গতকাল ৮৩২ ভরি সোনা পাওয়া যায়। এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে আজ কথা বললেন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তে থাকা সংস্থা দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, শেখ হাসিনা ২০০৭ সালে যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেছিলেন, তাতে পূবালী ব্যাংকে একটি এবং অগ্রণী ব্যাংকে দুটি লকার থাকার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেটা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে দুদকের অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান গত ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে লকার খোলার আবেদন করেন। মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, অনুসন্ধান তদারক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোনীত একজন সোনা বিশেষজ্ঞ, এনবিআরের কর গোয়েন্দা ও সিআইসি (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল) মনোনীত দুজন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট শাখার ব্যাংক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে লকার তিনটি খোলার আদেশ দেন। সেই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার তিনটি লকার খুলে মালামালের ‘ইনভেন্টরি’ (তালিকা) তৈরি করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপকের জিম্মায় রাখা হয়।

দুদকের সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ব্যাংকের ভল্টে থাকা নথি যাচাই করে শেখ হাসিনা, তাঁর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ ও বোন শেখ রেহানার নামে থাকা ৮৩২ ভরি সোনা উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান শাখায় একটি লকার খুলে ৫ হাজার ৯২৩ দশমিক ৬০ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। ওই ব্যাংকেই শেখ হাসিনা ও তাঁর বোন শেখ রেহেনার নামে থাকা আরেকটি লকার খুলে ৪ হাজার ৭৮৩ দশমিক ৫৬ গ্রাম স্বর্ণালংকার পাওয়া যায়। আর পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় থাকা শেখ হাসিনার নামে থাকা একটি লকার খুলে একটি খালি ছোট পাটের ব্যাগ পাওয়া গেছে।

দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, ‘লকারে রাখা চিরকুটের বর্ণনা অনুযায়ী স্বর্ণালংকার শেখ হাসিনা ও তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ও শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহেনা সিদ্দিকী, তাঁর ছেলে ববির (রাদওয়ান মুজিব) মর্মে ধারণা করা যাচ্ছে।’

সূত্র: প্রথম আলো

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়