শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ১২:৩৬ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এনসিপিকে ১০ আসন দেওয়ার খবর কাল্পনিক: জামায়াতের তাহের

জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর—এমন খবরকে ‘কাল্পনিক’ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

আজ বুধবার সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আব্দুল্লাহ তাহের এ কথা বলেন।

এর আগে সকালে জামায়াত আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি।

বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ তাহের অভিযোগ করে বলেন, গত এক দুই সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশে সরকার এবং আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যারা আছে সেনাবাহিনীসহ—যেভাবে একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে এবং প্রশাসন যেভাবে একটা দলের আনুগত্য দেখাচ্ছে এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কিনা। আমরা মনে করি, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং অল আদার ইনভল্ভ অথোরিটির কাছে আবেদন করি তারা যেন এখনই এ ব্যাপারে নিরপেক্ষ হয় এবং বাংলাদেশকে সেভ (রক্ষা) করার জন্য তারা ভূমিকা পালন করে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলেছে, তারা এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই, বলেছি।

সৈয়দ তাহের বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা জানতে চেয়েছেন তাঁরা। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়