শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ১১:১২ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

বৈভবকে খেলালেই রাজস্থানের বিরুদ্ধে শিশুশ্রম আইনে মামলার হুমকি সমাজকর্মীর

স্পোর্টস ডেস্ক: বৈভব সুর্যবংশীকে অদ্ভুত সমস্যায় রাজস্থান রয়্যালস। ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটার মাঠে নামলেই মামলা দায়ের করা হবে রাজস্থানের বিরুদ্ধে। এতদিন বৈভবকে নিয়ে সমস্যায় পড়ত অন্য দলগুলো। তাকে বল করলেই মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিত। এবার সমস্যা রাজস্থানের জন্য। কী কারণে মামলা দায়েরের হুমকি কর্নাটকের এক সমাজকর্মী?

১৫ বছরেই আইপিএল মাতিয়ে দিয়েছে বৈভব। ১০ ম্যাচে ৪০৪ রান করেছে রাজস্থানের ক্রিকেটার। এবার একটা সেঞ্চুরিও হয়ে গিয়েছে। বৈভবকে মাঠে দেখার জন্য অপেক্ষায় থাকে দেশের ক্রিকেটভক্তরা। আর সেখানে কর্নাটকের এক সমাজকর্মীর বক্তব্য, বৈভব মাঠে নামলেই তিনি রাজস্থানের বিরুদ্ধে মামলা ঠুকবেন। কেন? তাঁর দাবি, ১৫ বছর বয়সি ক্রিকেটারকে খেলানো শিশুশ্রমের শামিল। -- সংবাদপ্রতি‌দিন

সংবাদমাধ্যমে এসে ওই ব্যক্তি বলেন, “১৫ বছরের একজনকে খেলিয়ে তাকে শোষণ করছে রাজস্থান। সে নিতান্তই শিশু। তাকে পেশাদার ক্রিকেট লিগে খেলানো হচ্ছে। এটা শিশুশ্রম ছাড়া আর কিছুই নয়। তারা কীভাবে একজন নাবালককে এরকম একটি বড় লিগে খেলাচ্ছে? এই অল্প বয়সে ক্রিকেট খেলার পরিবর্তে তার উচিত পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া ও স্কুলে যাওয়া। এটা অন্য শিশুদের কাছে অত্যন্ত খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।

তিনি আরও বলেন, “আমি এর তীব্র নিন্দা জানাই। শিশু অধিকার ও শিশুশ্রম আইন লঙ্ঘনের জন্য রাজস্থান রয়্যালস কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করব বা আইনি মামলা করব। বৈভবকে আইপিএলে খেলতে দেবেন না। এটা শিশুশ্রম। ওর এখন পড়াশোনা করা উচিত।” উল্লেখ্য, ভারতের শিক্ষার অধিকার আইনে ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুদের বিনামূল্যে ও আবশ্যিক ভাবে স্কুলে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। তবে পরিবার বা পারিবারিক ব্যবসা, এবং বিনোদনশিল্প ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে ১৪ বছরের কম বয়সিদের নিয়োগ করা যায়। তবে সেক্ষেত্রে দেখতে হবে কাজ যেন ঝুঁকিপূর্ণ না হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়