শিরোনাম
◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক ◈ মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাবনা ◈ ভারতের সব কর্মীকে ছাঁটাই করল ওপেনডোর, কারণ দেখালো ‘গ্রাহকরা আমেরিকায়’ ◈ বেনাপোল বন্দরের শেড থেকে উধাও ৬ কোটি টাকার পণ্য, ১৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা ◈ বাংলাদেশের বাজেট ইতিহাস: তাজউদ্দীন থেকে আমির খসরু, কে কত দিলেন? ◈ অর্ধ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়াল বাংলাদেশের অর্থনীতি, নতুন রেকর্ড জিডিপিতে ◈ বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে আমাকে ব্ল্যাকমেল করতে চেয়েছিল এপস্টেইন: বিল গেটস ◈ ব্রাজিলকে হালকাভাবে নিলে ভুগতে হবে, বিশ্বকাপে নামার আগে মিডফিল্ডার ব্রুনোর হুম‌কি ◈ পা‌কিস্তা‌নের সা‌বেক ক্রিকেটার বা‌সিত আ‌লি বল‌লেন, বাংলাদেশ এশিয়ার দ্বিতীয় সেরা দল

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০১:৫১ দুপুর
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

বিশ্বকাপ লোগোর আড়া‌লে ৭টি রহস্য!

স্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর লোগো প্রকাশের পর থেকেই এটি নিয়ে চলছে নানা আলোচনা ও সমালোচনা। অনেকেই এটিকে খুব সাধারণ বা ‘অলস ডিজাইন’ বলে কটাক্ষ করলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ভেতরে রয়েছে গভীর ব্র্যান্ডিং কৌশল, মনস্তাত্ত্বিক পরিকল্পনা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিপণন ভাবনা।

লোগোর মূল নকশায় দেখা যায় বিশ্বকাপ ট্রফি এবং ‘২৬’ সংখ্যা। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু একটি সাধারণ ডিজাইন নয়, বরং ভবিষ্যতের ক্রীড়া ব্র্যান্ডিংয়ের একটি রূপরেখা। -- এই সময়

প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবারের মতো লোগোতে সরাসরি আসল বিশ্বকাপ ট্রফির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এর আগে কখনও এমনটি দেখা যায়নি। তবে আরও চমকপ্রদ বিষয় হলো, এই ট্রফির ছবিটি নতুনভাবে তৈরি নয়; বরং আগের একটি প্রচারণা ছবির পুনর্ব্যবহার করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লোগোর ‘২৬’ সংখ্যাটি শুধু একটি সংখ্যা নয়।

এটি তৈরি করা হয়েছে মোট ৪৮টি জ্যামিতিক ইউনিট বা ব্লক দিয়ে, যা ২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দলের প্রতীক হিসেবে ধরা হচ্ছে।

ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভবিষ্যতের বিশ্বকাপগুলোতেও একই ধরনের ডিজাইন কাঠামো ব্যবহার করা যাবে, শুধু বছর বা সংখ্যা পরিবর্তন করলেই নতুন লোগো তৈরি সম্ভব হবে। এটি একটি স্থায়ী ব্র্যান্ডিং সিস্টেম তৈরির অংশ। আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই লোগোটি ডিজিটাল যুগকে মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছে।

মোবাইল, অ্যাপ আইকন এবং ডার্ক মোড স্ক্রিনেও এটি সহজে দেখা যায়, যা ‘ডিজিটাল ফার্স্ট’ কৌশলের অংশ।
লোগোর ‘২৬’ অংশটি ফাঁকা এবং সাদা রাখা হয়েছে, যাতে আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ১৬টি শহর নিজেদের সংস্কৃতি ও রঙ অনুযায়ী এটি কাস্টমাইজ করতে পারে।

এছাড়া ফিফা ‘#WeAre26’ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের লোগোর সঙ্গে যুক্ত করেছে, যাতে যে কেউ এটিকে সহজে আঁকতে, রঙ করতে বা নিজের মতো করে ব্যবহার করতে পারে।

সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হলো, এই লোগো ঘিরে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটিই ছিল এক ধরনের পরিকল্পিত কৌশল। ডিজাইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিফা ইচ্ছাকৃতভাবেই একটি “বিতর্ক-উদ্দীপক ডিজাইন কৌশল” নিয়েছে, যাতে সমালোচনা, মিম এবং আলোচনা বাড়ে এবং প্রচারণা স্বাভাবিকভাবেই ছড়িয়ে পড়ে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়