শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়াকে প্রথমবার সিরিজে হারাল বাংলাদেশ ◈ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নেই, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনাই অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ◈ আয়কর রিটার্ন দেয়া যাবে সারা বছর  ◈ বদলাতে হলো হাইতির বিশ্বকাপ জার্সি ◈ সঞ্চয়পত্র-ডিপিএসসহ ৯ খাতে বিনিয়োগে কর রেয়াত কমানোর ঘোষণা ◈ যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে  ◈ কমতে পারে যেসব পণ্যের দাম  ◈ বাজেট ২০২৬–২৭: মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও প্রবৃদ্ধি বাড়াতে ১০ অগ্রাধিকার ◈ পোলট্রি ও ফিশ ফিডে বিষাক্ত ট্যানারি বর্জ্য, বাড়ছে ক্যানসারসহ নানা রোগ, সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি! ◈ যে ছেলে একসময় টিফিনের টাকাও জোগাড় করতে পারত না, আজ দুবাইয়ে ২০ হাজার কোটির মালিক

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৭ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাসা উন্মোচন করলো সূর্যের শৈশব

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা এক তরুণ সূর্যসদৃশ তারার চারপাশে বিশাল গ্যাসের বুদবুদের স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে। এই তারার নাম এইচডি ৬১০০৫। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২০ আলোকবর্ষ।

নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি দিয়ে এই ছবি তোলা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানান, এই তরুণ তারা নিজের চারপাশে যে গ্যাসের খোলস তৈরি করেছে, তাকে বলা হয় ‘অ্যাস্ট্রোস্ফিয়ার’। তারার পৃষ্ঠ থেকে শক্তিশালী কণার ঝড় বা ‘পার্টিকল উইন্ড’ বের হয়। এই ঝড় চারপাশে গরম গ্যাস ছড়িয়ে দেয় এবং এক বিশাল বুদবুদ তৈরি করে। বুদবুদটি আশপাশের ঠান্ডা গ্যাস ও ধুলাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়।

আমাদের সূর্যেরও এমন একটি খোলস আছে। সেটিকে বলা হয় ‘হেলিওস্ফিয়ার’। এটি সূর্যের বাতাসে তৈরি হয় এবং পৃথিবীকে ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি থেকে কিছুটা রক্ষা করে।

গবেষণার নেতৃত্ব দেন জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের কেরি লিসে। তার গবেষণা ছাপা হয়েছে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ। তিনি বলেন, এত দিন আমরা সূর্যের খোলস ভেতর থেকে বুঝেছি, বাইরে থেকে দেখা যায়নি। এবার এই নতুন তথ্য আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে, কোটি কোটি বছর আগে সূর্য কতটা সক্রিয় ছিল।

এইচডি ৬১০০৫ তারার বয়স প্রায় ১০ কোটি বছর। তুলনায় আমাদের সূর্যের বয়স প্রায় ৫০০ কোটি বছর। তরুণ হওয়ায় এই তারার কণার ঝড় সূর্যের চেয়ে প্রায় তিন গুণ দ্রুত এবং প্রায় ২৫ গুণ ঘন।

এই তারাকে বিজ্ঞানীরা ‘মথ’ নামেও ডাকেন। কারণ, ইনফ্রারেড টেলিস্কোপে এর চারপাশের ধুলার আকার মথ পোকা’র ডানার মতো দেখা যায়। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপে দেখা গেছে, এই তারার আশপাশের পদার্থ আমাদের সূর্যের তুলনায় প্রায় এক হাজার গুণ বেশি ঘন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আবিষ্কার আমাদের সূর্যের শৈশব ও ভবিষ্যৎ বুঝতে নতুন দিগন্ত খুলে দিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়