শিরোনাম
◈ ধর্ষণের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতা চলতে পারে না, সব অপরাধেরই বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সরকারি ব্যয় ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে সংশোধিত ও সম্পূরক বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ বি‌পিএলের দুরাবস্থা, ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের র‍্যাঙ্কিংয়ে সবার নিচে  ◈ সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত, কোনটি কোথায় যাবে ◈ চীনা অর্থায়নে দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতুসহ ২০ মেগা প্রকল্পের পরিকল্পনা ◈ আধুনিক প্রযুক্তির লড়াইয়ে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভাঙল রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ◈ ‘আমি মন্ত্রীর পিছে টাকা নিয়ে ঘুরিনি’: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ◈ ব্রা‌জি‌লের বিরু‌দ্ধে মর‌ক্কো দ‌লের একাদশে ১১ জনই ছি‌লো জন্মসূত্রে বিদেশি, বিশ্বকাপে অনন্য কীর্তি ◈ অক্সফোর্ডে অনুষ্ঠান শেষে আওয়ামী লীগ সমর্থকদের স্লোগান, পাল্টা হাসনাত আবদুল্লাহর ‘মিডল ফিঙ্গার’ প্রদর্শন ◈ রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে দ্রুত এআই ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৫ বিকাল
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মায়ের সামনে ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা, ‌‌‘আমার ছেলে আমার দিকে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল’

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে এক তরুণকে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার নয়ানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত তরুণের নাম জান্নাত হোসেন (২৭)। তিনি গজারিয়া উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামের আব্দুল হকের ছেলে।
 
স্বজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সকালে নয়ানগর গ্রামের বাসিন্দা শাহিন রাঢ়ির দুই মাদকাসক্ত ছেলে তারেক (৩২) ও রিয়াদের (২৭) মধ্যে ঝগড়াঝাটি হয়। সেই দুই ভাইয়ের ঝগড়া মিটিয়ে দেন জান্নাত হোসেন। এর কিছুক্ষণ পর জান্নাতকে ওই মাদকাসক্তরা তাদের ঘরে দুই ভাইয়ের বিচারের কথা বলে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। অভিযুক্তরা হাতে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে জান্নাতকে গুরুতর জখম করেন।

পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা জান্নাতকে উদ্ধার করে স্থানীয় হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হামদর্দ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মারিয়া মোস্তারি বলেন, সকাল ১১টার দিকে ওই তরুণকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে আমরা তাকে মৃত ঘোষণা করি। হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহতের মা জাহানারা বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার ছেলে ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। তাকে ডেকে নিয়ে যায় মাদকাসক্ত দুই ভাইয়ের ঝগড়া মেটাতে। আমি পেছনে পেছনে যাই। ঘরে যেতে না যেতেই ওরা আমার ছেলেকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। আমার ছেলে আমার দিকে শুধু ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিল, আমি এই শোক কেমন করে সইব।

নিহতের বড় ভাই রাজু বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে ওদের সঙ্গে আমাদের বিরোধ ছিল। জোরপূর্বক আমাদের জায়গা দখল করে ঘর তুলে রাখছে। আমার ভাইকে যখন কোপায় তখন তাঁরা কাউকে ঘরে ঢুকতে দেয়নি।

গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, ‘দুই ভাইয়ের মারামারির মধ্যে গিয়ে দায়ের কোপে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ থেকে ওই তরুণের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি। বিষয়টি আরো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। উৎস: কালের কণ্ঠ।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়