শিরোনাম
◈ উত্তর না দি‌য়ে সাংবা‌দিক‌দের পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন রোনালদো, ‌বিশ্বকা‌পে নি‌জে‌কে নি‌য়ে আত্মবিশ্বাসী ◈ রাশিয়ায় একের পর এক মুসলিম নেতা গ্রেফতার, বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষের আশঙ্কা ◈ ধানমণ্ডিতে ৮ তলা থেকে পড়ে প্রাণ গেল অভিনেত্রী আসমা ঝিলিকের, মৃত্যু ঘিরে রহস্য, স্বামী গ্রেপ্তার ◈ ‌টি-টো‌য়ে‌ন্টি বিশ্বকা‌পে আজ সন্ধ‌্যায় ভারত-পাকিস্তান মু‌খোমুখি ◈ অভিষেকে ই‌ংলিশ কাউন্টি রাঙালেন বাংলাদেশের হাসান মাহমুদ ◈ উচ্চ আদালতেও জট খুলছে, এবার দ্রুত বিচার হবে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার ◈ অজিদের হারিয়ে ২ কোটি টাকার বোনাস পাচ্ছেন টাইগাররা ◈ আসামে ভারতীয় বিমান বাহিনীর এএন-৩২ বিধ্বস্ত, নিহত ৫ ◈ হোঁচট খে‌য়ে বিশ্বকা‌পে যাত্রা শুরু ব্রা‌জি‌লের  ◈ ইতিহাসের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার ইলন মাস্ক, তবে বিশ্বের প্রথম বিলিয়নিয়ার কে ছিলেন?

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল
আপডেট : ১৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তাহিরপুরে সেতুর অভাবে ৫হাজার মানুষের দুর্ভোগ

নুর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় একটি সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন চারটি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। শুকনো মৌসুমে কোনো রকমে বাঁশের চাটাই দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষা এলে নৌকা ও ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী সাঁকোই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। এতে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের।

উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের রসুলপুর, টুকেরগাঁও, গোবিন্দপুর ও সংরামপুর গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন। টুকেরগাঁওয়ের শ্রীশ্রী কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকা ও টাকাটুকিয়ার মধ্যবর্তী বৌলাই নদীর শাখায় একটি সেতু নির্মাণ হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের উপজেলা সদর, হাসপাতাল কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে বৌলাই নদী পার হতে হয়। নদীটি বড় না হলেও নিরাপদ পারাপারের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। শুকনো মৌসুমে বাঁশের চাটাই বিছিয়ে কোনোভাবে চলাচল করা যায়, আর বর্ষাকালে নৌকাই একমাত্র ভরসা। স্থানীয়রা নিজেরাই বাঁশের সাঁকো তৈরি করলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়া ও সাইফুল ইসলাম রোকন জানান, চারটি গ্রামের অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে স্কুল-কলেজে যায়। এতে অভিভাবকরাও সবসময় আতঙ্কে থাকেন। একটি সেতু নির্মাণ হলে তাদের এই দুশ্চিন্তা দূর হবে। পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন সহজ হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন, জয়নাল ও কালাম মিয়া বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় প্রায়ই শিক্ষার্থী ও বয়স্ক মানুষ পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী ইউনুস আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে। জনস্বার্থে এখানে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।

এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়