শিরোনাম
◈ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীত হবে, লবণচাষীরা পাবেন ন্যায্যমূল্য ◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা ◈ জুলাইয়ে সমাহিত হবেন খামেনি, ঘোষণা ইরানের ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধে ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা আমিরাতের? ১০-২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের তথ্য প্রকাশ করল রয়টার্স

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ১২ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহে তরুণ উদ্যোক্তার আঙুর বাগান : সরকারি সহযোগিতা না পেয়ে ক্ষোভ ১১ মাসে ফলনের অপেক্ষায় ৫০০ গাছ

জামাল হোসেন খোকন, মহেশপুর (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সাড়াতলা এলাকায় নিজ উদ্যোগে গড়ে ওঠা একটি আঙুর বাগান নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

উদ্যোক্তা মোহাম্মদ ছমির উদ্দিন প্রায় ৭৭ শতক জমিতে গড়ে তুলেছেন এই বাগান, যেখানে রয়েছে প্রায় ৫০০টি আঙুর গাছ। বাগানের বয়স এখন ১১ মাস, আর আগামী মে মাসেই শুরু হবে কাঙ্ক্ষিত ফল সংগ্রহ।

উদ্যোক্তা জানান, প্রতি বিঘায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বাগানটি তৈরি করেছেন তিনি। তার প্রত্যাশা, প্রতিটি গাছ থেকে ২৫ থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত আঙুর পাওয়া সম্ভব হবে। সে হিসেবে প্রথম বছরেই ভালো মুনাফার আশা করছেন তিনি।

তবে এত বড় উদ্যোগ নেওয়ার পরও এখনো পর্যন্ত স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন ছমির উদ্দিন। তিনি বলেন, “আমি নিজের উদ্যোগে সব কিছু করেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কৃষি অফিসের কেউ আমার বাগান পরিদর্শনে আসেননি। সরকারি কোনো সহায়তাও পাইনি।”

তিনি আরও বলেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সরকারি সহায়তা পেলে এই বাগান আরও উন্নত করা সম্ভব হতো এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠতেন।

এদিকে, তরুণদের উদ্দেশ্যে ছমির উদ্দিন বলেন, “চাকরির পেছনে না ছুটে কিংবা বিদেশমুখী না হয়ে কৃষিতে মনোযোগ দিলে স্বল্প সময়েই লাভবান হওয়া সম্ভব। আধুনিক পদ্ধতিতে আঙুরসহ বিভিন্ন ফল চাষ করে নিজেরাই সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়।”

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (UAO) ইয়াসমিন সুলতানার মুঠোফোনে ফোন করার পর রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়